আমার ও সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার ষড়যন্ত্র এটিঃ এমপি বদি

ইয়াবা ব্যবসার সাথে যেন বরাবরি নাম জড়িয়ে পরছে টেকনাফ-উখিয়ার সরকার দলীয় সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদির। ইয়াবার সাথে জড়িত থাকার মিথ্যা অভিযোগ উঠার শুরু থেকেই বারবার ইয়াবার সাথে তিনি কোনভাবেই জড়িত নন বলে দাবি করেছেন। তিনি বলেছেন এটি তার ও সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার ষড়যন্ত্র।

গত ২৫ মে শুক্রবার সকালে রামু উপজেলায় কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের হিমছড়ি এলাকা থেকে উদ্ধারকৃত ৪১ বছর বয়সী আক্তার কামালের লাশ নিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে খবর তিনি সম্পর্কে এমপি বদির বড় বোন শামসুন্নাহার এর দেবর হন। তবে এ বিষয়টি সত্য নয় বলে দাবি করেছেন এমপি বদি।

সরকারের সর্বশেষ তৈরী করা ইয়াবার গডফাদারের তালিকা থেকে বাদ পড়ায় এই মিথ্যা অভিযোগ থেকে মুক্ত হলেন তিনি বলে জানিয়েছেন। ভুল প্রমাণিত হয়েছে তার বিরুদ্ধে আনা সকল অভিযোগ।

কিছুদিন আগে সংসদ অধিবেশনের বক্তব্যে এমপি বদি চ্যালেঞ্জ করে বলেছিলেন, কোনভাবে তিনি ইয়াবা ব্যবসা বা ব্যবসায়ীদের সাথে সম্পকৃক্ত রয়েছে প্রমাণ করতে পারলে সংসদ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করবেন। ফলে এমপি বদির ইয়াবা ব্যবসায় সংশ্লিষ্টতা নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে নানা আলোচনা ছিল। তিনি সংসদেই তার বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদের চ্যালেঞ্জ করেছিলেন।

সংসদের ওই বক্তব্যে এমপি বদি সারা দেশের সাংবাদিকদের টেকনাফে আমন্ত্রণ জানিয়ে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছিলেন। এই সব আলোচনা সমালোচনার মধ্যেই ইয়বার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়েছে এমপি বদির।

চলতি বছরের মার্চ মাসে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় বিজিবি, র‍্যাব, পুলিশ, মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর, কোস্টগার্ড ও গোয়েন্দা সংস্থার সমন্বয়ে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের একটি হালনাগাদ তালিকাটি তৈরী করা হয়। যেখানে ইয়াবার গডফাদার হিসেবে স্থান পেয়েছে ৬০ জন। কক্সবাজারের ৮টি উপজেলার ১১৫১ জন ইয়াবা ব্যবসায়ীর নাম উঠে এসেছে এ তালিকাটিতে।