পঞ্চম শ্রেনির ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় লম্পট উজ্জল গ্রেফতার

নুর উদ্দিন সুমন॥হবিগঞ্জ চুনারুঘাটে জুসের সাথে ঘুমের ঔষধ খাইয়ে পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণ মামলার আসামী উজ্জলকে মিয়াকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গতরাত সাড়ে ১১ টায় চুনারুঘাট থানার ওসি কেএম আজমিরুজ্জামান একদল পুলিশ নিয়ে তাকে গ্রেফতার করেন। সে উপজেলার পৌর শহরের আশ্রয়ণ (শিবির) এর সিরু মিয়ার পুত্র। জুসের সাথে ঘুমের ঔষধ মিশিয়ে ওই ছাত্রীকে কয়েকবার ধর্ষণ করে এই লম্পট।

ধর্ষণের অভিযোগে মেয়েটির পিতা বাদী হয়ে ২ সন্তানের জনক লম্পট উজ্জল মিয়া (৩৫) ও তার স্ত্রী মাফিয়াকে (২৫) আসামী করে মামলা দায়ের করেন। পুলিশ ধর্ষককে গ্রেফতার করতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়েছে। ওই কিশোরী (১৩) হাজী ইয়াছিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেনীর ছাত্রী।

এ ঘটনায় লম্পট ঘরে তালা দিয়ে পালিয়ে গিয়েছিল। কিশোরীর বাবা করাতকল মিস্ত্রী মোঃ মুছা মিয়া জানান, ৩ মে তিনি স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে বোরো ধান উঠানো শ্রমিক হিসেবে কিশোরগঞ্জের মিঠামইন যান। পড়ালেখার কথা চিন্তা করে মেয়েটিকে পাশের ঘরে ধর্ষকের স্ত্রী মাফিয়া ও বোন আফিয়ার কাছে রেখে যান। এ সুযোগে প্রতিবেশী পাশের ঘরের মৃত সিরু মিয়ার ছেলে উজ্জল মিয়া কৌশলে ঘরের দরজা খুলে প্রবেশ করে এবং মেয়েটিকে জুসের সাথে ঘুমের ঔষধ খাইয়ে অচেতন করে ধর্ষণ করে।

পরদিন সকালে মেয়েটি ধর্ষকের স্ত্রী মাফিয়াকে বিয়ষটি অবগত করে। এসময় মাফিয়া বিষয়টি কাউকে বলতে মানা করে। এরই মধ্য মেয়েটির বাবা বাড়ি এসে তার কন্যাকে অচেতন ও রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান। মেয়েটি জানায়, তাকে জুস খেতে দিয়েছিল উজ্জল। তারপর সে আর কিছু বলতে পারে না। ঘটনাটি জানাজানি হলে ও বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত হলে এলাকায় আলোচনার ঝড় ওঠে। তিনি আরও বলেন ঘটনাটি আপোষে নিষ্পত্তির জন্য স্থানীয় মুরুব্বিয়ান চেষ্টা করেন। যে কারণে থানায় অভিযোগ দায়ের করতে তাদের বিলম্ব হয়

নুর উদ্দিন সুমন, হবিগঞ্জ প্রতিনিধি