সিরাজদিখানে এবার বোরো ধানের বাম্পার ফলন

সিরাজদিখানের যতদুর চোখ যায় শুধু সবুজ ও সোনালী রঙের চোখ ধাধানো দৃশ্য। মাঠ জুড়ে সবুজ ও সোনালী রং বলে দিচ্ছে গ্রাম বাংলার কৃষকের মাথার ঘাম পায়ে ফেলা ধান কাটা মাড়াই করার দৃশ্য ।

সিরাজদিখানে এবার বোরো ধানের বাম্পার ফলন 3

মাঠজুড়ে সোনালি ধান। কেউ কাটছেন, কেউ আবার আঁটি বাঁধছেন। কেউ কেউ ভাড় করা ধান নিয়ে যাচ্ছেন বাড়ির উঠোনে। দম ফেলার সময় নেই কারও। মহাব্যস্ততায় দিন কাটছে কৃষকদের। বোরো ধান কাটা নিয়ে এমন চিত্র দেখা যাচ্ছে উপজেলার ১০ টি ইউনিয়নের মাঠ জুরে। মাঠে মাঠে যেন শুরু হয়েছে ধান কাটা উৎসব।

সিরাজদিখানে এবার বোরো ধানের বাম্পার ফলন 2

৪-৫ দিনের মধ্যেই ধানা কাটা শেষ হবে। চলতি বছরে উপজেলায় ৫ হাজার ৮ শ’ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের চাষ হয়েছে। এ বছর গত বছরের তুলনায় রোগ-বালাই কম হয়েছে। নদীর পারের ধানের জমিতে সেচ না লাগায় এবং জমিতে সার, বীজ, কীটনাশক ও নিড়ানি খরচ কম লাগায় এতে কৃষকদের ধান চাষে আগ্রহ বারছে। উপজেলার লতব্দী ইউনিয়নের কমলাপুর গ্রামের কৃষক সাজু বলেন,নদীর জোয়ার ভাটার কারনে ধান খেতে পানি কম লাগে । কৃষি অফিসারের পরামর্শে জমিতে ডাল পুতার কারনে পোকা ধানে ক্ষতি করে নাই তাই ঔষুধ দিতে হয় নাই ।

সিরাজদিখানে এবার বোরো ধানের বাম্পার ফলন 4

সিরাজদিখান কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো.মিজানুর রহমান জানান, চলতি বছরে উপজেলায় ৫ হাজার ৮ শ’ হেক্টর জমিতে বেরো ধানের চাষ হয়েছে। চলতি বেরো মৌসুমে কৃষি দপ্তরের উদ্যোগে ১০ ইউনিয়নে ব্রী ধান-২৮,২৯.৫৮,৬৪,৬৮ জাত আবাদ হয়েছে । অন্যান্য উইনিয়নের চেয়ে লতব্দী ইউনিয়নের ২৫০ হেক্টর জমি কাল পানি থাকায় ইছামতি নদীর অববাহীকায় বোরো ধান চাষ করার ফলে কৃষকদের সেচ সার ও কীটনাশক খরচ কম লাগে কৃষকরা বেশ লাভবান হবে ।

আব্দুল্লাহ আল মাসুদ, মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি