কুড়িগ্রামে এখনো শুরু হয়নি টিসিবির পণ্য বিক্রি

সারাদেশে রোববার (৬ মে) থেকে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) ব্যবস্থাপনায় পণ্য বিক্রি শুরু হলেও কুড়িগ্রাম জেলা শহরের কোথাও এরকম কোনো চিত্র চোখে পড়েনি।
তবে গতকাল সোমবার (০৭ মে) কুড়িগ্রামের খুচরা বাজারে প্রতিলিটার সয়াবিন তেল চার থেকে পাঁচ টাকা বেড়ে বিক্রি হয়েছে ১০৫ থেকে ১১০ টাকা, প্রতিকেজি চিনি ৫২ টাকা থেকে বেড়ে ৫৮ থেকে ৬০ টাকা, ছোলা ৮০ টাকা থেকে বেড়ে ৮৬ টাকা, মসুর ডাল তিন সাইজের প্রতিকেজিতে বেড়েছে ৫ থেকে ১০টাকা। অথচ টিসিবির ব্যবস্থাপনায় প্রতি লিটার সয়াবিন তেল ৮৫ টাকা, দেশি চিনি ৫৫ টাকা, ছোলা ৭০ টাকা, মসুর ডাল (মাঝারি সাইজ) ৫৫ টাকা, খেজুর ১২০ টাকা দরে বিক্রি করার কথা। টিসিবির ব্যবস্থাপনায় শুক্র ও শনিবার বাদে সপ্তাহের বাকি পাঁচদিন এসব পণ্য বিক্রি করার কথা ছিল।
টিসিবির দেওয়া বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, রোববার থেকে ঢাকার ৩২টি, চট্টগ্রামের ১০টি, অন্যান্য বিভাগীয় শহরে ৫টি এবং জেলাগুলোতে দুইটি এলাকায় ট্রাকে করে পাঁচটি নিত্যপণ্য বিক্রি করা হবে।
সে অনুযায়ী প্রতিজন ভোক্তা দিনে সর্বোচ্চ ৪ কেজি চিনি, ৪ কেজি মসুর ডাল, ৫ লিটার সয়াবিন তেল, ৫ কেজি ছোলা ও এক কেজি খেজুর কিনতে পারবেন। প্রতিদিন প্রতি ট্রাকে বিক্রির জন্য ৩শ থেকে ৪শ কেজি চিনি, মসুর ডাল, সয়াবিন তেল, ছোলা এবং ৩০-৫০কেজি খেজুর বরাদ্দ থাকবে।
কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসনের ব্যবসা-বাণিজ্য শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও নেজারত ডেপুটি কালেক্টর সুদীপ্ত কুমার সিংহ আমাদের প্রতিনিধিকে জানান, রংপুরের টিসিবির আঞ্চলিক কার্যালয় থেকে এখনও এ সংক্রান্ত কোনোও নির্দেশনা পাওয়া যায়নি। পণ্য বিক্রি সংক্রান্ত নির্দেশনা পেলে আমরা তা তদারকির ব্যবস্থা করবো।
রংপুরের টিসিবি আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপ-ঊর্ধ্বতন কার্যনির্বাহী মিশকাতুল আলম মুঠোফোনে এ প্রতিবেদককে জানান, রোববার থেকে সারাদেশে টিসিবির পণ্য বিক্রির শুরু হওয়ার কথা থাকলেও শুধু বিভাগীয় পর্যায়ে (রংপুর শহরে) শুরু হয়েছে। রংপুর বিভাগের অন্যান্য জেলাগুলোতে দু-একদিনের মধ্যেই টিসিবির কার্যক্রম শুরু হবে।
মোঃ মনিরুজ্জামান, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি