কোটা সংরক্ষণের দাবিতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সম্প্রদায়ের মানববন্ধন

আজ শুক্রবার ৪ মে সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে চাকরি ও শিক্ষাক্ষেত্রে বিশেষ ব্যবস্থায় কোটা সংরক্ষণের দাবি জানিয়ে মানববন্ধন পালন করা হয়। ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সম্প্রদায় এই মানববন্ধনের আয়োজন করে।

চাকরি ও শিক্ষাক্ষেত্রে বিশেষ ব্যবস্থায় কোটা সংরক্ষণের দাবি জানিয়ে মানববন্ধন পালন করেছে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সম্প্রদায়। মানববন্ধনে নেতারা বলেন- ‘বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী সমতা বিধানের জন্য সরকারি চাকরিতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জন্য ৫ শতাংশ আসন সংরক্ষিত রয়েছে। যদিও প্রায় ক্ষেত্রেই এই নিয়ম পালন করা হয়নি। তারপরও এই কোটা সংরক্ষণের ফলে কিছু সংখ্যক ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর লোকজন সরকারি চাকরিতে নিয়োগ পেয়ে জাতির সামগ্রিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে। এখন কোটা বন্ধ হয়ে গেলে এই জনগোষ্ঠীর সরকারি চাকরি পাওয়া প্রায় অসম্ভব পড়বে এবং অগ্রগতি থমকে যাবে। তারা আরও বলেন, সম্প্রতি সাধারণ ছাত্রদের আন্দোলনের ফলে সরকার কোটা বিলুপ করার ঘোষণা দিয়েছে। কিন্তু একই সঙ্গে প্রতিবন্ধী এবং ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জন্য বিশেষ ব্যবস্থায় চাকরির আশ্বাসও দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এই যৌক্তিক, সুবিবেচিত ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্তের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে অন্তঃস্থল থেকে অশেষ কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাই। একই সঙ্গে মূলধারার জনগোষ্ঠী উদারতার সঙ্গে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জন্য চাকরি সংরক্ষণের বিষয়টি গ্রহণ করায় আমরা ধন্য।’

এসময় তারা প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার ভিত্তিতে পূর্বের ন্যায় ৫ শতাংশ সরকারি চাকরি সংরক্ষণের দাবিসহ ৫টি দাবি জানান। সেগুলো হচ্ছে – সরকারি চাকরিতে নিয়োগের বিশেষ ব্যবস্থাটি সকল সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়িত্বশাসিত, পরিষদীয়, করপোরেশন, সরকারী-ব্যাংক বীমার চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে যেন প্রযোজ্য হয় তা নিশ্চিত করা, উক্ত ব্যবস্থা চালু করার জন্য গঠিত কমিটিতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব রাখা, বিধি প্রনীত হলে সে অনুযায়ী স্বচ্ছ, সহজ, ও যথাযথ ভাবে চাকরিতে নিয়োগ নিশ্চিত করা ও উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে আসন সংরক্ষণ করা।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন, প্রকৌশলী তরুন তপন দেওয়ান চাকমা, জ্ঞানেন্দ্রীয় চাকমা, এলারা দেওয়ান চাকমা প্রমুখ।