‘শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার আদায় মহান মে দিবসের মূলনীতি’

পৃথিবীর সকল শ্রমিককে সম্মান জানাতে আন্তর্জাতিক মহান শ্রমিক দিবস পালিত হয়ে আসছে ১৮৮০ সাল থেকে। “দুনিয়ার মজদুর – এক হও” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে ১৮৮৪ সালে আমেরিকার শিকাগো শহরে একদল শ্রমিক দৈনিক ৮ ঘন্টা কাজ করার দৃড় আন্দোলন শুরু করে।

১৮৮৬ সালের ১লা মে থেকে তা কার্যকর হয়। মহান এই দিনটি পৃথিবীর সকল শ্রমিকের ঘামে সিক্ত হয়ে চির অমর হয়ে থাকবে যা-শ্রমিকের প্রতি সম্মান ও ভালোবাসার প্রবাহমান। জাতীয় শ্রমিক লীগ দক্ষিনখান থানার সাধারণ সম্পাদক, রাজপথের লড়াকু সৈনিক, শ্রমিকের দাবী আদায়ের অন্যতম স্বপ্নদোষ্টা, মেহনতী মানুষের দুর্দিনের কান্ডারী জনাব শানীন আহমেদ শাহীন মনে করেন “মহান মে দিবস” শ্রমিকের রক্তে অর্জিত অতি সম্মান ও দাবী আদায়ের একটি দিন। এই দিনেই শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার অধিষ্ঠিত হয়। যদিও সমাজের উচু্ঁ শ্রেণির মানুষের মাঝে কিছু বৈষম্য এখনো লক্ষ্য করা যায়।

জনাব শানীন আহমেদ শাহীন জানান-“শ্রমিকের ইচ্ছা শক্তির ন্যায্য অধিকার আদায় জাতীয় শ্রমিকলীগের মূলনীতি। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ সন্তান জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শ্রমিকের অধিকার আদায় ও সকল শ্রমিককে সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে ১৯৬৯ সালের ১২ অক্টোবর জাতীয় শ্রমিকলীগ প্রতিষ্ঠা করেন। জাতীয় শ্রমিকলীগ সে লক্ষ্যে অদ্যবধি কাজ করে যাচ্ছে। বর্তমান সরকার শ্রমিক বান্ধব সরকার। ঢাকা-১৮ আসনের মাটি ও মানুষের নেএী এ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন (এমপি) তিনি নিজেও শ্রমিকের অধিকার আদায়ে বিশেষ ভূমিকা রেখেছেন”।

তিনি আরও বলেন- বঙ্গবন্ধুর আদর্শে শ্রমিকের দাবী প্রতিষ্ঠা করেছি। ভবিষ্যতেও শ্রমিক ভাইদের সেবা ও অধিকার আদায়ে কাজ করব। তিনি শ্রমিক ভাইদের প্রতি সহনশীল হতে ও সকল শ্রমিককে সুসংগঠিত করার দৃড় প্রত্যায় ব্যক্ত করেন।

জনাব শানীন আহমেদ শাহীন ও সকল শ্রমিক বৃন্দ দক্ষিণখান থানা জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি মোতালেব কার্যালয় থেকে শুরু করে বৃহত্তর উত্তরা,ফার্মগেট হয়ে মুক্তাঙ্গনে জাতীয় শ্রমিকলীগ ঢাকা মহানগর উত্তরের সাথে বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে কেন্দ্রিয় জাতীয় শ্রমিকলীগের র‍্যালীতে অংশগ্রহন করে পরবর্তীতে নগরীয়াবাড়ী শ্রমিকলীগের কার্যালয়ের সামনে পথসভা শেষে প্রীতিভোজের মাধ্যমে র‍্যালী শেষ হয়।

তানজীন মাহমুদ(তনু), নিজস্ব প্রতিনিধি