ঝড়-বৃষ্টির তাণ্ডবের সময় বজ্রপাতে ৮ জনের মৃত্যু

রোববার সকালে ঝড়-বৃষ্টির তাণ্ডবের সময় বজ্রপাতে ৮ জনের মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা। মাগুরা সদর থানার এসআই আশ্রাফ হোসেন জানান, ঝড়-বৃষ্টির সময় ভ্যানচালক শামীম মাগুরা থেকে শ্রীপুরের দিকে যাচ্ছিলেন। আর মাগুরা থেকে বাড়ি ফেরার পথে রায়গ্রামে বজ্রপাতে শিকার হন আলম। মাগুরা সদর অক্কুর পাড়া ও রায়গ্রাম এবং শালিখা উপজেলার বুনাগাতী গ্রামে বজ্রপাতে  তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।

এরা হলেন অক্কুর পাড়ার ভ্যানচালক শামীম, ব্লুগ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে আলম ও জয়পুরহাটের মনপুরা এলাকার আলম মিয়ার ছেলে মেহেদী। অন্যদিকে শালিখার বুনাগাতী এলাকায় মোবাইল ফোন টাওয়ারে কাজ করার সময় বজ্রপাতের শিকার হন মেহেদী। তাকে হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন বলে জানান মাগুরা হাসপাতালের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক পরীক্ষিত পাল।

সিরাজগঞ্জের কাজিপুর, কামারখন্দ ও শাহজাদপুর উপজেলায় বজ্রপাতে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছে আরও চারজন। নিহতরা হলেন, কাজিপুরের ডিগ্রি তেকানী গ্রামের শামছুল মন্ডল (৫৫), তার ছেলে আরমান (১৪), কামারখন্দের পেস্তক কুড়া গ্রামের কাদের হোসেন (৩৭), শাহজাদপুর উপজেলা ছয়আনি গ্রামের ফারুক খানের ছেলে নাবিল (১৭) ও রাশেদুল ইসলামের ছেলে পলিন (১৫)।

কাজিপুর ইউনিয়ন পরিষদেরর চেয়ারম্যান মো. হারুন অর রশিদ জানান, রোববার সকালে ডিগ্রি তেকানী চরে ছেলেকে নিয়ে বাদাম তুলছিলেন শামছুল। এ সময় বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাত হলেই দুজনেই ঝলসে যায়। তাদের উদ্ধার করে কাজিপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথে মৃত্যু হয় বলে জানান তিনি।

আর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কামারখন্দ উপজেলার পেস্তক কুড়া গ্রামের একটি ধান ক্ষেতে কাজ করার সময় বজ্রপাতে আহত কাদের হোসেনও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনার পথে মারা যান কামারখন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার তানজিলা বেগম জানান।

আর ঝড়ের সময় আম কুড়াতে গিয়ে বজ্রপাতে নিহত হয় নাবিল ও পলিন। এসময় আহত হয় আরও চারজন। আহতদের শাহজাদপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার রাজিবুল ইসলাম সিদ্দিকি জানিয়েছেন।