শ্যামনগরে ফসল কর্তন ও মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত

শনিবার বিকাল ৫টায় সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার চিংড়াখালী সাইক্লোন সেল্টার সংলগ্ন এলাকায় বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) উপকেন্দ্র, সাতক্ষীরার বাস্তবায়নে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, সাতক্ষীরার সহযোগিতায় ও জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাষ্ট ফান্ডের অর্থায়নে লবনাক্ততা সহনশীল জাত বিনাধান-১০ এর ফসলকর্তন ও মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট(বিনা)ময়মনসিংহ এর মহাপরিচালক ড.বীরেশ কুমার গোস্বামী। প্রধান অতিথি বক্তব্যে বলেন বাংলাদেশের শতকরা ১০ ভাগ এলাকা লবনাক্ত। এ লবনাক্ত এলাকার জন্য কৃষকদের তথ্য মতে বিনা ধান ১০এর ফসল ভাল। এটিতে খরচ কম। পোকা মাকড়ের আক্রমণ কম এবং সার কীটনাশক কম লাগে। তিনি জমি ফেলে না রেখে চিংড়ী ঘেরের আইলে বিভিন্ন প্রকার সবজি চাষের জন্য কৃষকদের আহব্বান জানান।

বিনা উপকেন্দ্র সাতক্ষীরার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মোঃ আল-আরফাত তপুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিনা ময়মনসিংহের উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড.আবুল কালাম আজাদ,কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামারবাড়ী, সাতক্ষীরার জেলা প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ নুরুল ইসলাম, বিনা ময়মনসিংহের উধর্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোঃ কামরুজ্জামান, বেনেরপোতা, সাতক্ষীরার বারি কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা শিমুল মন্ডল। সাতক্ষীরা বিনা উপকেন্দ্রের সহকারী বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা আলমগীর কবিরের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর শ্যামনগরের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা জি এম মাহফুজুর রহমান, ব্রজেন্দ্র নাথ মন্ডল, কৃষক সুশান্ত কুমার গায়েন প্রমুখ।

অনুষ্ঠানের শুরুতে কালমেঘা গ্রামের কৃষক সঞ্জয় সরদারের প্রদর্শনী প্লট বিনাধান ১০ এর ফসল কর্তন করা হয় এবং জানানো হয় বিঘা প্রতি ফলন পাওয়া গেছে প্রায় ২৫মণ। অনুষ্টানে কৃষকরা বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তাদের নিকট লবণ সহিষ্ণু ভাল ধান বীজ দাবী করেন।

 

রনজিৎ বর্মন, শ্যামনগর(সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি