বরগুনায় যুবলীগ নেতা ও চেয়ারম্যান কর্তৃক ধর্ষন চেষ্টা!

বরগুনা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও পৌর যুবলীগের সভাপতি গোলাম আহাদ সোহাগ কর্তৃক ধর্ষন চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া যায়। এব্যাপারে অভিযোগকারী মেরী আক্তার বাদি হয়ে গোলাম আহাদ সোহাগকে আসামী করে ১৮ এপ্রিল বুধবার বরগুনা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে একটি মামলা দায়ের করেন।

যার নং ২৪৭/২০০১৮। মামলাটি বরগুনা সদর থানায় ২৪ এপ্রিল রেকর্ড করা হয়েছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে যথা সময়ে প্রতিবেদন দাখিল করার জন্য আদালত নির্দেশ প্রদান করে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, অভিযোগকারী মেরী আক্তার ও চেয়ারম্যান গোলাম আহাদ সোহাগ একই এলাকা বরগুনা সদর উপজেলার সদর ইউনিয়নের বাশঁবুনিয়া গ্রামের প্রতিবেশী। মেরীর বাবার বাড়ি ও সোহাগের বাড়ি একই এলাকায় থাকায় সেই সুবাদে মেরীকে বিভিন্ন সময় কু-প্রস্তাব দিয়ে থাকে সোহাগ। এমনকি বিবাহ প্রস্তাব দিয়ে মেরীকে প্রায়ই উত্যক্ত করতো।

১৬ এপ্রিল মেরী ও তার বোন পুতুল মিলে বরগুনা পৌর শহরের চরকলনী বড় বোন পারভিন অসুস্থ হওয়ায় তাকে দেখতে আসেন। অতঃপর সোহাগ মেরীর পিছু নিয়ে ওই বাসায় গিয়ে ড্রইংরুমে ওৎ পেতে থাকে এ সময় পারভিনের স্বামী শানু মিয়া বাজারে ঔষধ আনতে গেলে মেরী দরজা খোলা দেখতে পেয়ে দরজাটি বন্ধ করতে আসলে সোহাগ মেরীকে জাপটে ধরে ধর্ষনের চেষ্টা করে। এক পর্যায়ে মেরীর ডাক চিৎকারে ঘরের ভিতরে থাকা মেরীর দু’বোন ছুটে আসলে সোহাগ পিস্তল দিয়ে খুনের ভয় দেখায় এবং এ বিষয় কোন বলাবলি বা মামলা করলে খুন করে লাশ ৭ টুকরো করে বিষখালী নদীতে ডুবিয়ে দিবে বলে হুমকি প্রদান করে চলে যায়।

এ ব্যাপারে চেয়ারম্যান গোলাম আহাদ সোহাগ মুঠো ফোনে বলেন, এ সব কিছু আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র আমি এ মেয়েকে বিভিন্ন সময় টাকা পয়সা দিয়ে অনেক সাহায্য করেছি। উপকারের ফল হিসেবে আজ আমাকে ধর্ষন মামলার আসামী হতে হলো।

বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাসুদুজ্জামান জানান, আদালতের নির্দেশে মামলাটি রেকর্ড করা হয়েছে। তদান্তকারী কর্মকর্তা তদন্ত করে যথা সময়ে তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করবে।

মোঃ মেহেদী হাসান, বরগুনা জেলা প্রতিনিধি