রাষ্ট্রপতিকে শুভেচ্ছা জানাতে কিশোরগঞ্জে ছাত্রলীগের মিষ্টি বিতরণ

ইতিহাস সৃষ্টি করে আবদুল হামিদ দেশের ২১তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে এবং দ্বিতীয়বারের মতো রাষ্ট্রপতি শপথ নেয়ায় কিশোরগঞ্জ শহরে মিষ্টি বিতরণ ও আনন্দ মিছিল করেছে কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগ।

জেলা ছাত্রলীগের পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক আবদুল কাইয়ুম স্বপন ও জেলা আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক তানিম ইসলামের নেতৃত্বে জেলা ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা পথচারী ও দোকান মালিক-শ্রমিকদের মধ্যে মিষ্টি বিতরণ করেন। মিষ্টি বিতরণ শেষে জেলা আওয়ামীলীগের কার্যালয়ের সামনে থেকে আনন্দ একটি মিছিল শুরু হয়ে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে রথখোলা আঠারোবাড়ি মোড়ে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, জেলা ছাত্রলীগের আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক তানিম ইসলাম, পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক আবদুল কাইয়ুম স্বপন, ত্রাণ ও দূর্যোগ বিষয়ক সম্পাদক কামরুল ইসলাম রতন, স্কুল বিষয়ক সম্পাদক মুস্তাফিজুর রহমান বাবু, গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক শাওন আহমেদ নিলয় প্রমূখ।

আবদুল হামিদের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন

১৯৪৪ সালের ১ জানুয়ারি কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলার কামালপুর গ্রামে জন্ম আবদুল হামিদের। কৈশোরেই তিনি রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন; কলেজ জীবনে ছিলেন ছাত্রলীগের নেতা। প্রায় ছয় দশকের রাজনৈতিক জীবনে সাতবার আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চল থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি।

১৯৭০ সালের নির্বাচনে ময়মনসিংহ-১৮ আসন থেকে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সর্বকনিষ্ঠ সদস্য হিসাবে নির্বাচিত হন আবদুল হামিদ। মুক্তিযুদ্ধে অবদানের স্বীকৃতি হিসাবে পরে স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত হন তিনি।

১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ দেশের প্রথম সাধারণ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ-৫ আসন থেকে নির্বাচিত হন আবদুল হামিদ। ১৯৮৬ সালের তৃতীয় সংসদ, ১৯৯১ সালের পঞ্চম সংসদ, ১৯৯৬ সালের সপ্তম সংসদ, ২০০১ সালের অষ্টম সংসদ এবং সর্বশেষ ২০০৮ সালের নির্বাচনেও তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

সপ্তম সংসদে ১৯৯৬ সালের ১৩ জুলাই থেকে ২০০১ এর ১০ জুলাই পর্যন্ত ডেপুটি স্পিকারের দায়িত্ব পালনের পর ২০০১ এর ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত স্পিকার হিসাবে সংসদ পরিচালনা করেন আবদুল হামিদ। আর নবম সংসদে নির্বাচিত হওয়ার পর দ্বিতীয়বারের মতো স্পিকার হন।

এস কে রাসেল, কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি