কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ২ নারীসহ তিন দাললের কারাদন্ড

কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ২ নারীসহ তিন দালালকে আটক করে কারাদন্ড দেয়া হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টায় সিনিয়র নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবু তাহের মো. সাঈদের নেতৃত্বে এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।

ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে দন্ড প্রাপ্তরা হলেন শহরের হারুয়া এলাকার মীর কুদরত আলীর স্ত্রী আছমা আক্তার (৩২), নীলগঞ্জ স্টেশন এলাকার সামছু মাস্টারের স্ত্রী মিনা বেগম (৬০) ও সদর উপজেলার বাদে মাইজখাপন গ্রামের মৃত সামছুদ্দিন ভূঁইয়ার ছেলে মো. শফিউল্লাহ (৩৩)। প্রত্যেককে ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড ও ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরো ২০ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড দেন সিনিয়র নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবু তাহের মো. সাঈদ। পরে তাদেরকে কারাগারে পাঠিয়ে দেয়া হয়।

দন্ডপ্রাপ্ত দালালেরা হাসপাতাল থেকে কমিশনের বিনিময়ে রোগীদেরকে বিভিন্ন প্রাইভেট কিনিক ও ডাক্তারদের প্রাইভেট চেম্বারে পাঠাতেন বলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কাছে দেয়া স্বীকারোক্তিতে জানিয়েছেন।

সিনিয়র নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবু তাহের মো. সাঈদ জানান, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সময় কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের ভেতর থেকে তিনজনকে আটক করা হয়। আটক হওয়ার দাললরা বিভিন্ন ক্লিনিক এবং ডায়াগনস্টিক সেন্টার এর দালাল বলে পরিচয় দেন। প্রতিদিন হাসপাতালে আসেন এবং হাসপাতাল থেকে রোগী ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে যেতেন তারা।

গ্রেপ্তার হওয়া তিন জনের মধ্যে মেডিপ্যাথ, মেডিনোভা ও হাজী ডায়াগনস্টিক সেন্টারের জন্য রোগী নিয়ে যেতেন মিনা, মেডিনোভার জন্য মো. শফিউল্লাহ এবং আছমা আক্তার হাজী ডায়াগনস্টিক এর পক্ষে কাজ করতেন।

এস কে রাসেল, কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি