নির্বাচনে প্রার্থীদের ব্যয় তদারকিতে কমিটি গঠন

আসন্ন গাজীপুর ও খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রার্থীরা নিয়মের বাইরে টাকা ব্যয় করছেন কিনা তা দেখভাল করবেন পাঁচ সদস্যের কমিটি। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময় পার হলে প্রচার থেকে ভোটের দিন পর্যন্ত ব্যয় তদারকি করবে এ কমিটি। দুই দিন পর পর তারা নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে প্রতিবেদন দিবেন। সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি প্রার্থীদের খরচ নজরদারি করতেই এই কমিটি গঠন করেছেইসির নির্বাচন ব্যবস্থাপনা ও সমন্বয় শাখার উপ-সচিব (চলতি দায়িত্ব) ফরহাদ হোসেন এ তথ্য জানিয়েছেন।

প্রসঙ্গত, ১৫ মে গাজীপুর ও খুলনা সিটি করপোরেশনে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনী বিধিমালায় ভোটার অনুপাতে সিটি করপোরেশনে মেয়র, সাধারণ ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর প্রার্থীদের ব্যক্তিগত খরচ, নির্বাচনী ব্যয় এবং দলীয় প্রার্থীর জন্যে দলের ব্যয়সীমা নির্ধারণ করে দেয়া আছে।

ইসি সূত্র জানায়, রিটার্নিং কর্মকর্তার নেতৃত্বে ওয়ার্ডভিত্তিক সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি, পুলিশ কমিশনারের প্রতিনিধি, বিভাগীয় হিসাব নিয়ন্ত্রকের প্রতিনিধি ও একজন থানা নির্বাচন কর্মকর্তাকে এই কমিটিতে রাখা হয়েছে। থানা নির্বাচন কর্মকর্তা কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে থাকবেন।

জানা গেছে, গাজীপুরের মেয়র প্রার্থীরা ৩০ লাখ টাকা নির্বাচনী ব্যয় করতে পারবেন। ব্যক্তিগত খরচ দেড় লাখ টাকা। ভোটের প্রচারের সময় প্রার্থীর নিজের খাবার বা জ্বালানি খরচের বিষয়গুলো ব্যক্তিগত খরচ হিসেবে দেখানো যাবে। খুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়র প্রার্থীরা ১৫ লাখ টাকা নির্বাচনী ব্যয় করতে পারবেন। ব্যক্তিগত খরচ ৭৫ হাজার টাকা। দুই সিটিতে দলীয় প্রার্থীর জন্যে দল ব্যয় করতে পারবেন ৫ লাখ টাকা।

এই দুই সিটিতে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন ২৩ এপ্রিল। গাজীপুর সিটি করপোরেশন ৫৭টি সাধারণ ও ১৯টি সংরক্ষিত ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত। ভোটার আছেন ১১ লাখ ৬৪ হাজার ৪২৫ জন। আর খুলনা সিটির ৩১টি সাধারণ এবং ১০টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে মোট ভোটার ৪ লাখ ৯৩ হাজার ৪৫৪ জন।