বাজে সময় পার করেছেন বাংলাদেশের মুস্তাফিজুর

ওয়াংখেড়ের মাঠে বিরাট কোহলির রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুকে ৪৬ রানে হারাল রোহিত শর্মার মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। ২১৩ রান তাড়া করে ৮ উইকেটে ১৬৬ রানে থামে আরসিবি। রানের পাহাড় টপকে দলকে জয় এনে দিতে না পারলেও একা লড়লেন অধিনায়ক কোহলি। করলেন ৬২ বলে অপরাজিত ৯২ রান। তবে এদিন বল হাতে অনেকটা বাজে সময় পার করেছেন বাংলাদেশের মুস্তাফিজুর রহমান।

এদিন ওয়াংখেড়ের মাঠে টসে জেতে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেয়। ব্যাট করতে নেমে ম্যাচের প্রথম দুই বলেই আউট হয়ে সাজঘরে ফিরে যান সূর্য কুমার যাদব ও ইশান কিষণ। তখন মনে হচ্ছিল মুম্বাই বুঝি একশো রানের কমে গুটিয়ে যাবে। সেই অবস্থায় গুটিয়ে না গিয়ে পাল্টা আক্রমণ শুরু করে মুম্বাই।

প্রথম পাঁচ ওভারে ওঠে ৫৬ রান। ১০ ওভারে ৯৫ রান তুলে ফেলে মুম্বাই ২ উইকেটের বিনিময়ে। অনবদ্য পার্টনারশিপ গড়েন এভিন লুইস ও রোহিত শর্মা। অসাধারণ ব্যাট করে লুইস ১২তম ওভারে আউট হন ৪২ বলে ৬৫ রান করে।

সেখান থেকে খেলা এগিয়ে নিয়ে যান রোহিত শর্মা। আক্রমণের রাস্তা থেকে সরে না এসে নিজের স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে আক্রমণ করেন আরসিবি বোলারদের। শেষ অবধি ৫ উইকেট হারিয়ে ২১৩ রান তোলে মুম্বাই।অধিনায়ক রোহিত শর্মা দলের হয়ে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ৯৪ রানের ইনিংসটি খেলেন তিনি। ৫২ বলে ১০ চার ও ৫ ছক্কায় এ ইনিংসটি খেলেন রোহিত।

জবাবে রান তাড়া করতে নেমে শুরুটা খারাপ করেনি আরসিবি। ওপেন করতে নামেন কুইন্টন ডি কক ও বিরাট কোহলি। চার ওভারে ওঠে ৪০ রান। তবে ৪.১ ওভারে ডি কক ফিরতেই একে একে আরসিবি ব্যাটিং খোলসের মধ্যে ঢুকতে শুরু করে। ১৪তম ওভারে গিয়ে একশো রান পূর্ণ করে আরসিবি। ততক্ষণে পড়ে গিয়েছে ৫ উইকেট।

অন্য প্রান্তে বিরাট শুরু সতীর্থ ব্যাটসম্যানদের যাওয়া-আসা দেখছেন। শেষবেলায় তিনি ব্যাট হাতে জ্বলে ওঠেন। করেন ৬২ বলে অপরাজিত ৯২ রান। তবে দলের পতন আটকাতে পারেননি। আরসিবি ম্যাচ হারে ৪৬ রানে।

মুম্বাইয়ের হয়ে ক্রুণাল পান্ডিয়া ৩টি, জসপ্রীত বুমরাহ ও মিচেল ম্যাকক্লেনেঘন ২টি করে উইকেট পেয়েছেন। ১টি উইকেট পান মার্কণ্ডেয়। মুস্তাফিজ এদিন বল হাতে উইকেট শূন্য ছিলেন। ৪ ওভারে তিনি ৫৫ রান করছ করেছেন।

এদিনের হারের ফলে ৪ ম্যাচ খেলে ১টিতে জয় পেল মুম্বই। অন্যদিকে আরসিবি চার ম্যাচ খেলে ১টিতে জয় পেয়ে লিগ টেবলের সাত নম্বরে নেমে গেল।