‘কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীরা জামায়াত-শিবির ও রাজাকার’

কোটা সংস্কার এবং কোটা সংস্কার আন্দোলনের প্রতিবাদে বুধবার কিশোরগঞ্জ শহরে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন এবং জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর বরাবরে স্মারকলিপি দিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধারা।

মুক্তিযোদ্ধা চেতনা বাস্তবায়ন মঞ্চের জেলা শাখার ব্যানারে শহরের কালী বাড়ি মোড় এলাকায় সকাল সাড়ে ১১ টা থেকে সাড়ে ১২ টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত ঘন্টাব্যাপী এ মানববন্ধন কর্মসূচিতে জেলার বিভিন্ন উপজেলার মুক্তিযোদ্ধারা অংশ নেন। মানববন্ধন কর্মসূচি ও সমাবেশ থেকে কোটা সংস্কারের আন্দোলনকরীদের জামায়াত-শিবির ও রাজাকার হিসাবে আখ্যায়িত করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি বাসভবনে নারকীয় তান্ডব চালোনের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতারের দাবি জানানো হয়।

মানবন্ধন কর্মসূচি শেষে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের পতাকা ও জাতীয় পতাকা হাতে মুক্তিযোদ্ধারা মিছিল সহকারে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে গিয়ে প্রধান প্রবেশ পথে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হন। এ সমাবেশে জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ও জেলা মুক্তিযোদ্ধা চেতনা বাস্তবায়ন মঞ্চের আহবায় মো. আসাদউল্লাহ, মুক্তিযোদ্ধা চেতনা বাস্তবায়ন মঞ্চের সদস্য সচিব ও সাবেক ডেপুটি কমান্ডার মো. আবদুল মান্নান, এসভি সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক উষা রাণী দেবী প্রমূখ বক্তব্য রাখেন।

সমাবেশ শেষে জেলা প্রশাসকের অনুপস্তিতিতে প্রধানমন্ত্রী বরাবর লেখা কোটা সংস্কারের নামে হত্যার গুজব ছড়িয়ে উস্কানি দিয়ে অরাজকতা, নাশকতা, নৈরাজ্য ও সন্ত্রাস সৃষ্টিকারীদের চিহ্নিত করে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনাসহ ৬ দফা লিখিত দাবি সম্বলিত একটি স্মারকলিপি স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক জহিরুল হকের হাতে তোলে দেন জেলা মুক্তিযোদ্ধা চেতনা বাস্তবায়ন মঞ্চের আহবায়ক।

এস কে রাসেল, কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি