উৎসবকেন্দ্রিক কোনও ঝুঁকি নেইঃ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

পহেলা বৈশাখের মঙ্গল শোভাযাত্রা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি পেয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, এবার এই শোভাযাত্রায় বিদেশি মেহমানরা থাকতে পারেন। সেজন্য মঙ্গল শোভাযাত্রাকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পর্যাপ্ত নিরাপত্তা থাকবে। তিনি বলেন, ‘বিকাল পাঁচটার পর বাইরে কোনও অনুষ্ঠান চলবে না। আপনারা সন্ধ্যার পর সবাই যে যার বাড়িতে ফিরে যাবেন।’

শুক্রবার (১৩ এপ্রিল) বিকাল সাড়ে চারটার দিকে রমনা বটমূলে পহেলা বৈশাখের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ যাতে সুন্দরভাবে পহেলা বৈশাখ উদযাপন করতে পারে, সেজন্য আমরা নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। শনিবার পহেলা বৈশাখ এবং পরদিন মুসলমানদের প্রাণের উৎসব শব-ই মেরাজ। সেজন্য পহেলা বৈশাখের সন্ধ্যার পর বাইরে কোনও অনুষ্ঠান চলবে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘পহেলা বৈশাখের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ডগ স্কোয়াড, বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট, সোয়াটসহ পুলিশের সব সংস্থা নিয়োজিত থাকবে। পুরো এলাকা সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে। বর্ষবরণের উৎসবে যে কোনও অঘটন এড়াতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।’

জনগণের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘বিকাল পাঁচটার পর বাইরে কোনও অনুষ্ঠান চলবে না। আপনারা সন্ধ্যার পর সবাই যে যার বাড়িতে ফিরে যাবেন। বাড়িতে গিয়ে আপনারা পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠান, অথবা শব-ই-মেরাজ পালন করবেন, সেটা আপনাদের ব্যাপার। তবে বিকাল পাঁচটার পর উন্মুক্ত স্থানে কোনও অনুষ্ঠান চলবে না।’ শুধু ঢাকা নয়, দেশব্যাপী বর্ষবরণ কেন্দ্রিক সব অনুষ্ঠানেই নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে বলেও জানান তিনি।

উৎসবকেন্দ্রিক কোনও ঝুঁকি নেই উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘নিরাপত্তা নিশ্চিতে আমরা প্রস্তুত রয়েছি। আমরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছি, যেন কোনও দুর্ঘটনা না ঘটে।’ এর আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বর্ষবরণ অনুষ্ঠানস্থল রমনা বটমূল এলাকা পরিদর্শন করেন। ডগ স্কোয়াড, বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট এবং সোয়াট টিমের বিশেষ মহড়া পর্যবেক্ষণ করেন তিনি।

এসময় পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী, ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া, কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইমের (সিটিটিসি) ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলামসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।