গ্রীষ্মে লোডশেডিংর প্রভাব বাড়বে ৬ জেলায়

চাহিদার তুলনায় উৎপাদন না হওয়ায় এবার গ্রীষ্মে ৬ জেলায় দেখা দেবে বেশি লোডশেডিং। এরমধ্যে ১৯ মার্চ সর্বোচ্চ ১০ হাজার ৮৪ মেগাওয়াট উৎপাদন করতে পেরেছে পিডিবি। এখানো ঘাটতি প্রায় ২ হাজার মেগাওয়াট। ফলে তীব্র লোডশেডিংয়ের আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড বলছেন, গ্রিডের কাজ শেষ না হওয়ায় গাজীপুর, শরীয়তপুর, যশোর, খুলনা, কিশোরগঞ্জ, ময়মনসিংহ এলাকায় ঠিকমতো বিদ্যুৎ সরবরাহ হবে না। গরমের মৌসুমে এপ্রিল-মে মাসে বিদ্যুৎ চাহিদা সবচেয়ে বেশি থাকে। তবে মৌসুমের আগেই দেশের বিভিন্ন জেলায় দেখা দিয়েছে লোডশেডিং।

পিডিবির তথ্য অনুযায়ী, দেশে গত ১৫ দিনে সর্বোচ্চ ৮শ মেগাওয়াট লোডশেডিং হয়েছে। গ্রীষ্মে বিদ্যুৎ চাহিদা ১২ হাজার মেগাওয়াট। এরমধ্যে ১৯ মার্চ সর্বোচ্চ দশ হাজার ৮৪ মেগাওয়াট উৎপাদন করতে পেরেছে পিডিবি। বাড়তি চাহিদা মেটাতে ডিজেল ও ফার্নেস চালিত বিদ্যুৎ উৎপাদন চালুর কথা থাকলেও তা শুরু হতে মে থেকে জুন লেগে যাবে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১২ হাজার মেগাওয়াটের চাহিদা মেটাতে উৎপাদন করতে হবে অন্তত ১৪ হাজার মেগাওয়াট। যা এখনো সম্ভব নয়। এবছর রমজান ও ফুটবল বিশ্বকাপ চলাকালে গ্রাহক চাহিদা মেটানোই হবে সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। আরইবি সূত্রে জানা গেছে, চাহিদার অনুপাতে বিদ্যুৎ উৎপাদন হলেও সরবরাহ সক্ষমতার অভাবে ৬ জেলায় এবার লোডশেডিং বেশি হবে।