কিভাবে চলবে মশা নিধন অভিযান?

স্বচ্ছ ঢাকা কর্মসূচির আওতায় চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধ এবং এডিস মশা নিধনে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন কয়েকটি এলাকায় বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর কথা জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন।

গত ১৯ মার্চ এক অনুষ্ঠানে মেয়র বলেছিলেন, ডিএসসিসি আওতাধীন যেসব বাড়িতে এডিস মশার প্রজনন ক্ষেত্র কিংবা লার্ভা পাওয়া যাবে, ওইসব বাসার মালিককে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে অর্থদণ্ড বা কারাদণ্ড দেয়া হবে। আজ ৮ এপ্রিল থেকে এ অভিযান চলার কথা।

কিভাবে চলবে এ মশা নিধন অভিযান? এ বিষয়ে মেয়র সাঈদ খোকন কথা বলেছেন বিবিসি বাংলার সাথে। বিবিসি বাংলাকে তিনি জানিয়েছেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া রোগের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করা হয়েছে। সেসব এলাকায় কিছু বাড়িঘরে মশার সম্ভাব্য প্রজননক্ষেত্র রয়েছে বলে ধারণা করছে কর্তৃপক্ষ।

সাঈদ খোকন বলেন, ‘প্রাথমিক পর্যায়ে ঝুঁকিপূর্ণ চিহ্নিত বাড়িঘরে ভ্রাম্যমান আদালত যাবে, সেখানে থাকা মশার প্রজনন ক্ষেত্র ধ্বংস করবে এবং সেসব বাড়ির মালিককে প্রাথমিক অবস্থায় সতর্ক করা হবে।’ মেয়রের ভাষায় এটা আপাতত সচেতনতামূলক প্রচারণা। ‘একজনের অবহেলার কারণে আরেকজনের স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ না হয় সেজন্যই এই অভিযান পরিচালনার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সতর্ক করার পরও যদি দেখা যায় যে তারা সহযোগিতা করছেন না তখন আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে তাদের বিরুদ্ধে।’

ব্যক্তিমালিকানাধীন বাড়িঘরে মশার প্রজননক্ষেত্র ধ্বংস করার পাশাপাশি পাবলিক প্লেসেও মশা নিধনের অভিযান চালানো হবে বলে জানান সাঈদ খোকন। তিনি বলেন, ‘বিশেষজ্ঞদের মতে এডিস মশা ঘরের ভেতরে টব, চৌবাচ্চায় জমে থাকা পানির মতো স্বচ্ছ পানিতে বংশ বিস্তার করে থাকে। আর বাইরে নালা, খাল, ডোবায় কিউলেক্স মশা বংশবিস্তার করে থাকে।’ ‘সিটি কর্পোরেশনের মধ্যে যেসব এলাকায় এরকম মশার প্রজননক্ষেত্র রয়েছে সেগুলো ধ্বংসে আমার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। এ ছাড়াও নিয়মিত মশার ওষুধ দেয়া হচ্ছে। এই কাজে নাগরিকদের সহযোগিতা আমাদের একান্ত কাম্য।’