দৌলতপুরের পল্লীতে অ্যানথ্রাক্স, আক্রান্ত ১০

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার পল্লীতে অসুস্থ গরুর মাংশ খেয়ে অন্ততঃ ১০ জন অ্যানথ্রাক্সে আক্রান্ত হয়েছে। এর মধ্যে একজন রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। আক্রান্তের স্বজনরা প্রাণী সম্পদ বিভাগের উদাসীনতাকে দায়ী করেছেন।

জানা যায়, উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের পচামাদিয়া কুঠিপাড়া গ্রামের মৃত রমজান আলীর ছেলে কামাল উদ্দিনের অসুস্থ একটি গরু ১৫/১৬ দিন পুর্বে জবাই করে সেই গরুর মাংশ স্থানীয়দের নিকট বিক্রয় করে। সেই অসুস্থ গরুর মাংশ খেয়ে আয়েন উদ্দিনের ছেলে শামিউল (৩০) শফিউলের ছেলে সোহেল (২৬) কামালের মেয়ে তানিয়া (২০) মজেরের ছেলে মনি (২৬) রবিউলের স্ত্রী টুনুয়ারা (৩৮) সিরাজের স্ত্রী আনুরা (৩৫) আরজের স্ত্রী ফরিদা (২৮) ও তাছলী (২৫) সহ অন্ততঃ ১০ জন অ্যানথ্রাক্সে আক্রান্ত হয়েছে।

এদের মধ্যে সোহেল এর অবস্থা গুরুতর হওয়ায় সে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। অন্যরা স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিচ্ছে বলে আক্রান্তরা জানিয়েছে। আক্রান্তের স্বজনরা জানিয়েছেন এ ব্যাপারে সাংবাদিকদের কিছু না জানানোর জন্য উপজেলা পশু সম্পদ কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম নিষেধ করে গেছেন।

উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম এ অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, এ রোগ যাতে বিস্তার না করে সে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

এ ব্যাপারে দৌলতপুর স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা ডাঃ অরবিন্দু পাল জানান, আক্রান্ত কয়েকজনকে চিকিৎসা সেবা দেয়া হয়েছে।

জহুরুল হক, কুষ্টিয়া প্রতিনিধি