লক্ষ টাকার সরকারি গাছ সাবাড়, নেয়া হচ্ছে না আইনি ব্যবস্থা

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার হোগলবাড়িয়া ইউনিয়নের কায়ামারী এলাকায় সরকারী রাস্তার প্রায় ২০ লক্ষ টাকা মুল্যের ৫০ টি গাছ কেটে সাবাড় করেছে দুর্বৃত্তরা। এলাকাবাসী জানায়, শুক্রবার গভীর রাত থেকে সকাল পর্যন্ত কায়ামারী গ্রামের সেকেন্দার আলীর বাড়ির সামনে সরকারী রাস্তার মেহগনি সহ বিভিন্ন ধরনের ৫০ টি মুল্যবান গাছ এলাকার চিন্থিত সন্ত্রাসী আশারত আলী, বজলুর রহমান, সিরাজুল, রিয়াজুল, নাসির কালু, গুলু, ফজলু, রফিকুল, জনি, ইন্তাদুল, নিজাম, রনি সহ ২৫/৩০ জন করাত দিয়ে কেটে নিয়ে গেছে।

সরকারী রাস্তার গাছ কেটে নেবার খবর এলাকাবাসী থানায় জানালে পুলিশ সেখানে যাবার আগেই ঐ দুর্বৃত্তরা কিছু কাটা গাছ ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। ইতিপুর্বে কায়ামারী ও বৈরাগীরচর সড়কের প্রায় অর্ধকোটি টাকা মুল্যের গাছ কেটে নিয়েছিল ঐ দুর্বৃত্তরা। দৌলতপুর থানার ওসি শাহ দারা খান জানান, কিছু কাটা গাছ সেখানে পাওয়া গেছে সেগুলো পুলিশ ইউএনও সাহেবের নির্দেশে ইউনিয়ন ভুমি কর্মকর্তার নিকট বুঝিয়ে দিয়েছে।

এলাকাবাসী জানান, ঐ দুর্বৃত্তরা দৌলতপুর আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রেজাউল হক চৌধুরীর আপন ছোট ভাই ও ৭ নং হোগলবাড়িয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সেলিম চৌধুরীর ক্যাডার বাহিনী হিসাবে পরিচিত। যে কারণে এলাকাবাসী তাদের প্রতিরোধ করতে সাহস পায়নি।

এ ব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যান সেলিম চৌধুরী গাছ কাটার সাথে জড়িত নন বলে দাবী করেছেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ তৌফিকুর রহমান জানান, কয়েকমাস পুর্বে অভিযোগ পাবার পর সহকারী কমিশনার (ভুমি) গাছ গুলো নাম্বারিং করে এসেছিল। এরপর সরকারী গাছ যারা কেটেছে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।

জহুরুল হক, দৌলতপুর প্রতিনিধি