‘রোটি-বেটি কা রিস্তা’ ফিরিয়ে আনতে মরিয়া মোদি সরকার

দিনে দিনে চীনের হাতে চলে যাচ্ছে নেপাল সরকার। এই অবস্থায় যত তাড়াতাড়ি সম্ভব কাঠমুন্ডুর সঙ্গে দিল্লির সনাতন ‘রোটি-বেটি কা রিস্তা’ ফিরিয়ে আনতে মরিয়া হয়ে উঠেছে মোদি সরকার। এ জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে জরুরি নির্দেশও পাঠানো হয়েছে। এরইমধ্যে ভারত সফরে আসছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী খড়্গ প্রসাদ ওলি। দ্বিতীয় দফায় প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পরে এটিই তার প্রথম বিদেশ সফর। ওলি চীনের ঘনিষ্ঠ বলে গুঞ্জন রয়েছে।

ওলির আগের দফার প্রধানমন্ত্রীত্বের সময় ভারত-নেপাল সম্পর্ক খারাপ হয়েছিল। নেপালে ভারতবিরোধী মনোভাব চরমে উঠেছিল। যার জের এখনও চলছে।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বক্তব্য, সে সময় অবরোধের কারণে ভারতের তরফ থেকে নেপালে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য রফতানি বন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু ওলি সরকার নেপালবাসীর কাছে বিষয়টিকে তুলে ধরে ভারতবিরোধিতার মোড়কে।

এ অবস্থায় চীনা প্রভাবের সঙ্গে টক্কর দিতে বেশ কিছু প্রস্তাবিত প্রকল্পের দ্রুত বাস্তবায়নে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ হচ্ছে। এই প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে- ৫৬০০ ওয়াটের একটি বিদ্যুৎ প্রকল্প। জোগবানি থেকে বিরাটনগর রেললাইন, বীরগঞ্জ এবং বিরাটনগরে সুসংহত চেকপোস্ট, তরাই সড়ক প্রকল্প, পশুপতিনাথ মন্দির সংলগ্ন এলাকায় পান্থশালা নির্মাণের কাজ যাতে দ্রুত শেষ হয়, সে জন্যও বাড়তি সক্রিয় হবে নয়াদিল্লি। নতুন কয়েকটি চুক্তিও সই হবে।