নির্বাচনকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল গঠনের নির্দেশ

গাজীপুর ও খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল গঠনে রিটার্নিং কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। বিশেষ কোনো মহলের প্রভাব বা হস্তক্ষেপে নির্বাচনের পরিবেশ যাতে বিঘ্নিত না হয়, সে বিষয়েও সর্তক থাকতে বলা হয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের।

একই সঙ্গে নির্বাচনী এলাকা থেকে বেআইনি অস্ত্র উদ্ধারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীকে আরো তৎপর হওয়ার তাগিদ দিয়েছে ইসি। এদিকে যাদের নির্বাচনী পোস্টার এখনো সরানো হয়নি, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে কমিশন। তফসিল ঘোষণার পরপরই নির্বাচনের উত্তাপ গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন এলাকায়। শুরু হয়েছে সম্ভাব্য প্রার্থীদের দৌড়ঝাঁপ আর ভোটারদের নানা হিসেব নিকেষ। একই অবস্থা খুলনা সিটি কর্পোরেশনেও।

স্থানীয়রা বলেন, সন্ত্রাস-মাদকমুক্ত সমাজ চাই। এখানে এখনো পানির সংকট দূর হয় নি। ভোটগ্রহণ শেষ না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে রিটার্নিং কর্মকর্তার নেতৃত্বে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল গঠনের নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। পাশাপাশি নির্দেশ দেয়া হয়েছে অবজারভেশন এবং মনিটরিং টিম গঠনের। নির্বাচনী এলাকা থেকে বেআইনি অস্ত্র উদ্ধারসহ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণেরও তাগিদ ইসির।

নির্বাচন কমিশনার কবিতা খানম বলেন, রিটার্নিং অফিসারের নেতৃত্বে বেআইনি অস্ত্র উদ্ধারের প্রতি আমরা নজর দিবো। সেনা বাহিনী ছাড়া যত ধরনের সহযোগিতা দরকার আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় এক্সিটিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, বিজিবি সবাই নিয়োজিত থাকবে।

নির্দেশনার পর উভয় সিটি এলাকায় শুরু হয়েছে পোস্টার সরানোর কাজ। তবে এখনো রয়ে গেছে পোস্টারের ছড়াছড়ি। ব্যক্তি উদ্যোগে ৮ এপ্রিলের মধ্যে প্ল্যাকার্ড, ব্যানার, পোস্টার এবং নির্বাচনী তোরণ না সরালে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ারও হুঁশিয়ারি কমিশনের।

নির্বাচন কমিশনার কবিতা খানম বলেন, ‘যদি তারা নিজেরা না নামায় তাহলে অন্য পন্থায় নামানোর ব্যবস্থা করা হবে।’ এদিকে খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের নেতৃত্বে ১২ সদস্য এবং ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের নেতৃত্বে গাজীপুর সিটিতে ১২ সদস্যের সমন্বয় টিম গঠন করেছে নির্বাচন কমিশন।