‘বিএনপির রাজনীতি ভুলের চরা বালিতে আটকে গেছে’

মুন্সীগঞ্জের মানুষের দুর্ভাগ্য অতীতে এখানে অনেকেই ক্ষমতায় ছিল, এখানে প্রায় ১০০টি বেইলী ব্রীজ ছিল। শেখ হাসিনার সরকারের আমলে ওনেকগুলো মুন্সীগঞ্জে বেইলী ব্রীজের কাজ ধরেছি। অর্ধের মতো করে ফেলেছি। বর্তমানে ২৯টি ব্রীজের নির্মান কাজ চলামান আছে। সামনের বছর বাকি যেগুলো আছে সেগুলর কাজ চলামন আছে। দুই অর্থ বছরে এখানকার সব বেইলী ব্রীজ গুলোকে কংক্রিটে নিয়ে এসেছি। যত দ্রুত যাতে কাজের মান ঠিক রেখে কাজ যাতে শেষ হয়।

সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শ্রীনগর উপজেলা বাজার এলাকায় বেইলী বীজের কাজ পরিদর্শণ শেষে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি আরোও বলেন সরকার ও পলিটিকাল কাজগুলো নিয়ে আমরা খুবই ব্যস্থ। বিএনপির রাজনীতি নেতিবাচক। ভুলের চরা বালিতে আটকে গেছে। নয় বছরে যারা আন্দোলন করতে পারেনি। বাকি ৯মাসে তারা আন্দলোন করবে, এটি কেউই বিশ্বাস করবে না। বিএনপির অতীতের যে রাজনীতি, তাদের যে সহিংসতার রাজনীতি, এটি জনগণ প্রত্যাখ্যান করেছেন।

বিএনপি তখন ভেবেছিল সারাদেশে আন্দোলনের জোয়ার আসবে। কিন্তু কোথাও কোন আন্দোলন হয়নি। বেগম জিয়া যখন জেলে গেলেন, সে সময় যারা আন্দোলন করতে পারেনি। তারা নির্বাচনকে সামনে রেখে যে জনগণ যখন নির্বাচনের মুডে তখন আন্দোলনের ডাকে জনগণ সাড়া দিবে এটা দুঃস্বপ্নের নামান্তর।

শেখ হাসিনা সারা বাংলাদেশে কয়েকটি জায়গায় জনসভা করেছেন, এসব জনসভা বিশেষ করে ফখরুল সাহেবের বাড়ি ঠাকুগাওয়ে যেই উপস্থিতি স্বাধীনতার পর যেই উপস্থিতি তা কখনও হয়নি। চাঁদপুরে সর্ববৃহৎ জনসভায় যেই উপস্থিতি এতে প্রমাণ হয় আগামী নির্বাচনেও আওয়ামীলীগের নৌকাকে নির্বাচিত করবে। জনগণ সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে এবং তারা জানে আওয়ামীলীগ সরকার আসলে দেশে উন্নয়ন হবে। সড়ক ও ঘড়ে ঘড়ে বিদ্যুৎ কোন আমলেই হচ্ছেনা। আমাদের ভুল ত্রুটি হলে তা সংশোধ্নের মানুসিকতা আমাদের আছে। চাদের মধ্যেও কলঙ্ক থাকে, আওয়ামীলীগ একটা সরকার, আমাদের ভুলত্রুটি কিছু আছে। আমাদের কাজ জনগণের কাছে দিবাগকের মতো পরিষ্কার। পদ্মা সেতুসহ সারাদেশে আমাদের উন্নয়ন মূলক কাজ দৃশ্যমান বাস্তবতা। মানুষ চোখের সামনে উন্নয়ন দেখছে। বিএনপি বলুক কি কাজ তাদের আছে যা দেখে জনগণ তাদের নির্বাচনে জয়ী করবে। নির্বাচনে আসা না আসা বিএনপির অধিকার।

আব্দুল্লাহ আল মাসুদ, মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি