অস্ট্রেলিয়ার কাছে ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলার অনুমতি চেয়েছে স্মিথ-ওয়ার্নার

বল টেম্পারিংয়ের অভিযোগে স্টিভ স্মিথ ও ডেভিড ওয়ার্নারকে আন্তর্জাতিক সহ ঘরোয়া ক্রিকেটেও এক বছর করে নিষিদ্ধ করেছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (সিএ)। একই অপরাধে ক্যামেরন বেনক্রফটের নিষেধাজ্ঞা ৯ মাসের। তবে এরই মধ্যে দেশ এবং দেশের বাইরের ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলার অনুমতি চেয়ে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার কাছে আবেদন করেছেন এই তিন তারকা। আর চলতি মাসের ১১ এপ্রিল তাদের শুনানি হবে।

নিষেধাজ্ঞা সময় ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলতে পারবেন না এই ক্রিকেটার। ফলে নিষেধাজ্ঞা শেষে কোন বিবেচনায় আবারও জাতীয় দলে জায়গা পারেন, এ ভাবনা থেকেই পরথম শ্রেণির ক্রিকেট খেলতে চায় স্মিথ-ওয়ার্নার ও ব্যানক্রফট। অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটে অবশ্য এমন নজির আগেও আছে। ১৯৮৫-৮৬ ও ১৯৮৬-১৯৮৭ বিদ্রোহী কিম হিউজের দলের সদ্যসরা একবছরের জন্যে নিষিদ্ধ হলেও ঘরোয়া ক্রিকেট খেলার অনুমতি পেয়েছিল। এর মাঝে বর্তমান প্রধান নির্বাচক ও লেগ স্পিনার ট্রেভর হনসও ফিরেছিলেন টেস্ট দলে। সেটা ছিল ১৯৮৮-৮৯ মৌসুমে।

এদিকে দ্য সিডনি মর্নিং হেরাল্ডসহ একাধিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় শুনানির দিনই শাস্তি কমতে পারে স্মিথ-ওয়ার্নারের। অবশ্য তাদের নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ কমতে পারে ঘরোয়া ক্রিকেটে! আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বহালই থাকবে!

সদ্য সমাপ্ত কেপটাউন টেস্টের তৃতীয় দিনে দ্বিতীয় সেশনের সময় বিতর্কিত ঘটনাটি ঘটায় অস্ট্রেলিয়া। টিভিতে ধরা পড়ে, হলুদ কাপড়ের মত কিছু একটা পকেট থেকে বের করেছিলেন ব্যানক্রফট। পরে সেটি লুকানোর চেষ্টা করেন তার ট্রাউজারের ভেতরে। দিনের খেলা শেষে অধিনায়ক স্মিথ দোষ স্বীকার করে জানান বল টেম্পারিংয়ের চেষ্টা করার সিদ্ধান্তটি ছিল দলীয়।

এরপরই অধিনায়ক ও সহ-অধিনায়কের পদ থেকে স্মিথ ও ওয়ার্নারকে সরিয়ে দেয় ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। তখনই গুঞ্জন ওঠে বড় শাস্তি হতে যাচ্ছে। অবশেষে বুধবার ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার সিইও জেমস সাদারল্যান্ড স্টিভেন স্মিথ ও ডেভিড ওয়ার্নাকে এক বছর আর বেনক্রফটকে নয় মাসের জন্য নিষিদ্ধের ঘোষণা দেয়।