কোটাবিরোধী আন্দোলন একটি মহলের দেশকে অস্থিতিশীল করার চক্রান্ত

রোববার (৪ মার্চ) সকাল ১১টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন ‘আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান’-এর উদ্যোগে আয়োজিত কোটাবিরোধী রিট এবং কালো ব্যাজ ধারণ কর্মসূচির প্রতিবাদে সমাবেশ ও লাল-সবুজ পতাকা মিছিলে বক্তারা বলেন, কোটাবিরোধী আন্দোলন একটি মহলের দেশকে অস্থিতিশীল করার চক্রান্ত। 

সরকারি চাকরিতে কোটাবিরোধী আন্দোলনের নামে একটি মহল দেশকে অস্থিতিশীল করার চক্রান্ত করছে বলে অভিযোগ করেছেন মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরা। তারা বলেছেন, অতীতেও মুক্তিযোদ্ধা কোটা নিয়ে নানা ষড়যন্ত্র হয়েছে, বর্তমানেও তা অব্যাহত আছে। কিন্তু তাদেরকে সফল হতে দেওয়া হবে না।

মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে কোটাবিরোধী রিট দায়ের করা হয়েছে উল্লেখ করে তারা বলেন, মুক্তিযোদ্ধার কোটার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত সহ্য করা হবে না। মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের মেধাহীন বলে অপব্যাখ্যা দিয়ে তাদেরকে ক্যাডারভুক্ত পদসহ সরকারি চাকরি থেকে দূরে রাখতেই বার বার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।

বক্তারা আরও বলেন, মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের কোটা তখনই বাস্তবায়িত হয়, যখন তারা প্রিলিমিনারি ও লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে মৌখিক পরীক্ষায় পাস করেন। এছাড়া কোটা বাস্তবায়নের নজির নেই। মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশে মুক্তিযোদ্ধার কোটা বাতিল বা হ্রাসের কোনো সুযোগ নাই। কোটা রক্ষার জন্য রাজপথে আন্দোলনের পাশাপাশি রিটের বিরুদ্ধে আইনি লড়াই চলবে।

এ সময় আগামী ৮ মার্চ (বৃহস্পতিবার) দেশের জেলায় জেলায় কোটাবিরোধী রিটের প্রতিবাদে ‘মানববন্ধন’ কর্মসূচির পালন করা হবে বলেও জানানো হয়।

‘আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান’ -এর কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মো. হুমায়ুন কবিরের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম নয়নের সঞ্চালনায় বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক যুগ্ম-মহাসচিবসফিকুল বাহার মজুমদার টিপু, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন পাহাড়ী বীর প্রতিক, ঢাকা মহানগর মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার আমির হোসেন মোল্লা, আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান’র প্রেসিডিয়াম মেম্বার হাজী এমদাদুল হক, জাহিদুল ইসলাম মোল্লা।

মো. নুরুজ্জামান ভুট্টো, লুবনা খানম, সহ-সভাপতি আমিনুল ইসলাম রিপন, সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট নাজিম উদ্দিন, শাহিনুর করিম বাবু, সম্পাদক মণ্ডলীর সদস্য ডা. মো. মহসীন, কেন্দ্রীয় নেতা রুবিনা ইয়াসমিন অন্তরা, মো. বেলাল হোসেন, মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, ঢাকা মহানগরের সহ-সভাপতি মো. সালাউদ্দিন, কাজী জাহাঙ্গীর হোসেন মিলন, মহানগর নেতা জাকির হোসেন (১), মো. জাকির হোসেন (২), নুরজাহান বেগম, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা মাসুদ পারভেজ জুয়েল, মুক্তিযোদ্ধা আশরাফুল হক বাঙালি, মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ, আব্দুল জলিল, নিজাম উদ্দিন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।