কাল অনুমতি মিললে খালেদাকে আদালতে নেয়া হবে

আগামী রবিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দুদকের দায়ের করা জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় হাজিরার দিন ধার্য রয়েছে।

এই মামলায় রবিবার পর্যন্ত জামিনে থাকা খালেদা জিয়াকে আদালতে হাজির করতে হলে কারা কর্তৃপক্ষের অনুমতি লাগবে। অপরদিকে কারা কর্তৃপক্ষ বলছে, পুলিশ অনুমতি চাইলে তাদের দেওয়া হবে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার খালেদা জিয়াকে আদালতে উপস্থাপন করার জন্য আদালতে আবেদন করে দুদক। কিন্তু আবেদনের বিষয়ে আদালত এখনও কোনো আদেশ দেননি।

আর এই কারণে পুলিশের পক্ষ থেকে তাই কারা কর্তৃপক্ষের কাছে খালেদাকে আদালতে নেয়ার বিষয়ে এখনও আবেদন করা হয়নি।

তবে রবিবার আদালত শুরু হওয়ার আগেই খালেদা জিয়াকে হাজির করার জন্য সকালে জেল গেটে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন আদালতে দায়িত্বরত পুলিশের ডিসি (প্রসিকিউশন) আনিসুর রহমান। তিনি বলেন, জেল কর্তৃপক্ষ যদি খালেদা জিয়াকে আদালতে হাজির করার জন্য তাদের অনুমতি দেন তাহলে তাকে আদালতে হাজির করা হবে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার(২২ ফেব্রুয়ারি)  চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়াকে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করেন দুদকের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল। ঢাকার ৫নং বিশেষ জজ ড. আখতারুজ্জামানের আদালতে এ আবেদনটি করেন দুদকের আইনজীবী। তবে আদালত এ বিষয়ে কোনো আদেশ দেননি।

এরও আগে, ১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর বকশীবাজারের আলিয়া মাদরাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকার ৫নং বিশেষ জজ ড. আখতারুজ্জামান জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার যুক্তি উপস্থাপনের জন্য ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেন।

উল্লেখ্য, গত ৮ ফেব্রুয়ারি দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক ড. আখতারুজ্জামান। এ মামলায় অন্য আসামি খালেদার বড় ছেলে তারেক রহমানকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়। কারাদণ্ডের পাশাপাশি সব আসামিকে দুই কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেয়া হয়। রায়ের পরই নাজিম উদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে নেয়া হয় সাবেক এ প্রধানমন্ত্রীকে।