ভক্তের ভালবাসায় সিক্ত তমিমও অবাক

ভালোবাসার শক্তির কাছে দুনিয়ার সব বাধাই যেন পরাস্ত হয়। সেটাই আবার প্রমাণ করে দিল তামিম। আট বছরের তামিম অনেক পছন্দের খেলা ক্রিকেট, প্রিয় ক্রিকেটার বাংলাদেশ দলের দলের ড্যাশিং ওপেনার তামিন ইকবাল খান। বড় তামিমকে সামনা সামনি দেখার স্বপ্ন ছিল ছোট তামিমের। আর সে জন্য তাকে বহু কাঠখড় পোড়াতে হয়। ছোট্ট তামিমের সে সংগ্রামের কথা ইতোমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল।

জানা যায়, প্রিয় খেলোয়ার তামিম ইকবালের প্রতি তামিমের ভালোবাসা সীমাহীন। তামিমকে এক নজর দেখার জন্য মিরপুর কাজী পাড়া থেকে শেরে বাংলা স্টেডিয়ামের সামনে এসে দাঁড়িয়ে থাকত শিশুটি। কখন এক ঝলক তামিমের দেখা পাবেন। কিন্তু মাঠে আসার জন্য প্রায় বড় বোনের হাতে খেতে হয় তামিমকে। কিন্তু তবুও নাছোড়বান্দা সে। হাজার মারলেও কাঁদতে কাঁদতে ঠিকই চলে আসেন মিরপুর স্টেডিয়ামে। তামিম কে এক নজর দেখতে পারলে ভুলে যান বোনের মারের ব্যথা।

বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার প্রথম টি-২০ ম্যাচের দিনও স্টেডিয়ামের সামনে ছিল ছোট্ট তামিম। উদ্দেশ্য খেলা দেখা নয় তামিম ইকবালের সাথে দেখা করা। তবে প্রতিদিনের মত সেদিনও বোনের হাতে মার খেয়ে অশ্রু ভেজা চোখ মুছতে মুছতে স্টেডিয়াম এর ২ নং গেটের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলো। পরে স্টেডিয়ামে কর্তব্যরত পুলিশের চোখে পড়ে বিষয়টি। তখন পুলিশ তার কাছে কান্নার কারণ জানতে চান। এরপর শিশুটি সব খুলে বলে পুলিশকে। তখন সেখানে উপস্থিত থাকা অন্যান্য দর্শকরাও শিশুটিকে তামিম ইকবালের কাছে নিয়ে যাওয়ার জন্য পুলিশের কাছে অনুরোধ করেন। এরপরই পুলিশ ছোট্ট তামিমকে নিয়ে যাই প্রিয় ক্রিকেটার তামিম ইকবালের কাছে। নিজের অন্ধভক্ত ছোট শিশুটির সংগ্রামের কথা শুনে তামিম ইকবাল শিশুটিকে জড়িয়ে ধরেন। আদর করে নিজের একটি জার্সি উপহার দেন। সে সঙ্গে তামিম শিশুটির বাসায় ফোন দিয়ে অনুরোধ করেন যেন তামিমকে আর না মারা হয়।