বর্ধিত জনসংখ্যার খাদ্য নিরাপত্তায় অ্যাকুয়াপনিক্স

বাংলাদেশের জনসংখ্যা ক্রমান্বয়ে বেড়ে যাওয়ার ফলে বেড়ে চলছে আবাসন সমস্যা। ফসলি জমিতে তৈরি হচ্ছে আবাসন। কমছে চাষের জমির পরিমাণ। এছাড়াও স্বল্প জমিতে অধিক ফলনের জন্য ক্ষতিকর কীটনাশক সার ব্যবহার করা হচ্ছে। হুমকী সৃষ্টি হচ্ছে খাদ্য নিরাপত্তার। তাই দেশের বর্ধিত জনসংখ্যার খাদ্য নিরাপত্তা দেবে এই অ্যাকুয়াপনিক্স।

আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের কনফারেন্স রুমে দুই দিন ব্যাপি অ্যাকুয়াপনিক্সের উপর প্রশিক্ষণ ও আর্ন্তজাতিক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন বক্তারা। বক্তারা আরও বলেন, অ্যাকুয়াপনিক্স হলো সার ও কীটনাশক না দিয়ে মাটিবিহীন মাছের চাষকৃত পানির মধ্যে সবজি চাষ। বাড়ির ছাদ ও আঙ্গিনায় অ্যাকুয়াপনিক্স পদ্ধতির মাধ্যমে জৈব খাবার উৎপাদন করে নিজের পরিবার ও সমগ্র জাতিকে নিরাপদ খাদ্য উপহার দেওয়া সম্ভব। এছাড়াও এটি একটি জলবায়ু সহনশীল প্রযুক্তি।

অ্যাকুয়াকালচার বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাহফুজুল হক সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. গিয়াস উদ্দিন আহমদ। কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আমেরিকার লিডিং সাইন্স ইউনিভার্সিটি ও ন্যাশনাল হাওয়াইয়ের অধ্যাপক ড. জি. ভারনন বায়ার্ড। এসময় অনুষদের পাশের নতুন নির্মিত অ্যাকুয়াপনিক্স ল্যাবের উদ্বোধন করা হয়।

প্রশিক্ষণ কর্মশালায় অংশগ্রহণ করছে দেশের এবং বিদেশের প্রায় ৫০ জন প্রশিক্ষণার্থী। প্রশিক্ষণ চলবে ২৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। প্রশিক্ষক হিসেবে থাকবেন অ্যাকুয়াপনিক্সের উদ্ভাবক এবং বাকৃবি মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের অ্যাকুয়াকালচার বিভাগের অধ্যাপক ড. এম এ সালাম ও আমেরিকার লিডিং সাইন্স ইউনিভার্সিটি ও ন্যাশনাল হাওয়াইয়ের অধ্যাপক ড. জি. ভারনন বায়ার্ড।