শীর্ষ আদালতের দারস্থ প্রিয়া প্রকাশ

প্রিয়া প্রকাশ ভারিয়েরের ভাইরাল হওয়া চোখের পাতার বিরল নাচ এবং বির্তকিত গানটি ইসলাম ধর্ম বিশ্বাসী মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানায় এবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন প্রিয়া। ‘ওরু আদার লাভ’-এর নির্মাতাদের বিরুদ্ধে করা ফৌজদারি মামলায় স্থগিতাদেশের আবেদন জানালেন প্রিয়ার আইনজীবী।

সোমবার শীর্ষ আদালতে আবেদন জমা দেওয়া হয়। বিষয়টি নিয়ে আদালত যাতে শীঘ্রই পদক্ষেপ নেয় সেই আরজিও জানানো হয়েছে।

মুসলিমদের ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করেছে প্রিয়া প্রকাশের গান। সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে ছবির পরিচালককে নোটিস পাঠিয়েছিল পুলিশ। ১৯ ফেব্রুয়ারি ভারতের শীর্ষ আদালতে গেলেন প্রিয়া এবং নির্মাতা ওমর লুলু।

তিনি দাবি করেন, ওই গানে কোনওভাবেই মুসলিম ভাবাবেগে আঘাত দেওয়া হয়নি। আদ্যোপান্ত প্রেমের অনুষঙ্গে লেখা গানের কথা। তাছাড়া ১৯৭০ সাল থেকেই এই গানের জনপ্রিয়তা রয়েছে কেরলে।

লুলুর এরকম ব্যাখ্যার পরে দুরকমের পন্থা নিয়েছে ফলকনুমা পুলিশ। ভারতীয় দণ্ডবিধির ১৬০ ধারায় ফৌজদারি মামালা রুজু হয়েছে লুলুর বিরুদ্ধে।

নোটিসে উল্লেখ করা হয়েছে, ১৫ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট গান কেন ছবিতে থাকবে তার ব্যাখ্যা যেন দেন পরিচালক ওমর লুলু। সেই ব্যাখ্যা যদি কোর্টের কাছে সন্তোষজনক বলে মনে না হয় তাহলে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪১ ধারায় নতুন মামলা রুজু হবে ওমরের বিরুদ্ধে। তবে এই আইনি প্রক্রিয়া শুরুর আগে ১৬০ ধারার ফৌজদারি মামলাটি বন্ধ করে দিতে হবে।

এদিকে ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত দেওয়ার অভিযোগে ভারতীয় দণ্ডবিধির ১৯৫ ধারার আওতায় আরও একটি মামালা রুজু হয়েছে লুলুর বিরদ্ধে। সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে মামলাটি করেছে ফলকনুমা পুলিশ। এদিন সেই মামলার অগ্রগতিই রুখে দেওয়ার আরজি জানালেন প্রিয়ার আইনজীবী।

তবে এসবও প্রিয়ার জনপ্রিয়তায় কোনও প্রভাব ফেলতে পারেনি। ওরু আদার লাভ-এর অভিনেত্রীর পরবর্তী পরিকল্পনার কথা জানতে মুখিয়ে রয়েছেন তার ভক্তরা। প্রিয়া অবশ্য নিজেই অনুরাগীদের সেই কৌতূহল মিটিয়েছেন।

তিনি জানান, তার ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর থেকেই একাধিক পরিচালকের কাছ থেকে ছবির অফার পেয়েছেন। তবে আগস্ট পর্যন্ত কোনও নতুন ছবির জন্য সই করবেন না। কারণ তার মালয়ালম ছবির কাজ এখনও বাকি। তবে এত মানুষের থেকে ভালবাসা পেয়ে তিনি আপ্লুত।