ক্রমশ বাড়ছে সিনাবাং পর্বতের আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎ‍পাত!

ইন্দোনেশিয়ায় সুমাত্রা দ্বীপের সিনাবাং পর্বতের আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎ‍পাত ক্রমশ বাড়ছে। আশপাশে বিমান চলাচলের ওপর সর্বোচ্চ মাত্রার সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

সম্প্রতি আগ্নেয়গিরিটির অগ্ন্যুৎ‍পাতে সাত কিলোমিটার উচ্চতায় ছাই ছড়িয়ে পড়েছে, যা এ বছরের সর্বোচ্চ। রাজধানী জাকার্তা ১ হাজার ৯০০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত আগ্নেয়গিরিটির আশপাশে নিয়মিত অগ্ন্যুৎ‍পাতের ঘটনা ঘটায় এখানে প্রায়ই সতকর্তা জারি করা হয়। অস্ট্রেলিয়ার উত্তরাঞ্চলের শহর ডারউইনের মেটিওরোলজি ব্যুরোর ভলকানিক অ্যাশ অ্যাডভাইজরি সেন্টার (ভিএসিসি) সোমবারই মানচিত্র প্রকাশ করে। মানচিত্রটিতে দেখা যায়, সিনাবাং উত্তর, উত্তর-পশ্চিম ও দক্ষিণ-দক্ষিণপূর্ব দিকে ছাই ছড়িয়ে পড়ছে।

ইন্দোনেশিয়ার ভলকানো অবজারভেটরি নোটিস ফর এভিয়েশন (ভোনাকে) লাল সতর্কতা অর্থাৎ‍ সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করেছে। অবজারভেটরি জানিয়েছে ছাই-মেঘ ২৩ হাজার ৮৭২ ফুট (৭ হাজার ২৭৬ মিটার) উঁচুতে উঠতে পারে। মেদানের কুয়ালানামু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত সিনাবাং। আচেহ প্রদেশের কুটাকানে বিমানবন্দর বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

তবে হাওয়া অন্য দিকে বওয়ায়, কুয়ালানামু, মেউলাবোহ ও সিলানগিট বিমানবন্দরগুলিতে এখনও বিমান উড়ান পরিষেবা স্বাভাবিক। ইন্দোনেশিয়ার দুর্যোগ সংস্থার মুখপাত্র সুতোপো পুরওয়ো নুগরোহো বলেন, সোমবার সকালে অগ্ন্যুৎ‍পাত শুরু হয়। একই সঙ্গে আশপাশের কয়েকটি গ্রামে বেশ কয়েকটি ভূমিকম্প ও শিলাবৃষ্টি শুরু হয়।

এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, পাঁচটি জেলা বিদ্যুৎ‍ বিচ্ছিন্ন পড়ে। সেসব জায়গায় দৃশ্যমানতা দাঁড়ায় মাত্র পাঁচ মিটার। তবে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

সংস্থাটি সাধারণ মানুষকে আগ্নেয়গিরি অন্তত সাত কিলোমিটার দূরে থাকার পরামর্শ দিয়েছে। এছাড়া বন্যার ব্যাপারেও সতর্কতা জারি করা হয়েছে।