ফজলুর রহমান বাবুকে বিদায় জানাতে ‘বাহুবলী’র মামা!

বাংলাদেশের প্রখ্যাত অভিনেতা ফজলুর রহমান বাবুকে ভারতের কোচবিহারের চ্যাংড়াবান্দা স্থলবন্দরে বিদায় জানাতে আসেন ‘বাহুবলী’তে ‘মামা বিজ্জলাদেবা’ চরিত্রের অভিনেতা এম নাসের।

ছবির নাম ‘সিতারা’। ধ্রুপদি লেখক আবুল বাশারের গল্প ‘ভোরের প্রসূতি’ অবলম্বনে তৈরি হচ্ছে ছবিটি। পরিচালক আশীষ রায়। কোচবিহারের মেখলিগঞ্জের পাশে তিস্তা নদীর চর এলাকায় টানা ১০ দিন শুটিং হয়েছে। পাশাপাশি মেখলিগঞ্জ বাজারেও শুটিং হয়েছে। বাংলাদেশের জাহিদ হাসান, ফজলুর রহমান বাবু ও শাহেদ আলী সুজনের সাথে এতে অভিনয় করেছেন এম নাসের ও রাইমা সেন সহ আরো অনেকেই। আজ মঙ্গলবার সকালে শ্যূটিং শেষে ভারত থেকে বিদায় নিয়ে দেশে ফেরেন ফজলুর রহমান বাবু। আর তাকে বিদায় জানান ভারতের এ সময়ের অন্যতম ব্যবসা সফল ছবি ‘বাহুবলী’তে ‘মামা বিজ্জলাদেবা’ চরিত্রের অভিনেতা এম নাসের। ভারতের দক্ষিণের বরেণ্য এই অভিনেতা এম নাসের অভিনয় করেছেন হিন্দি এবং ইংরেজি ছবিতেও। চলচ্চিত্র পরিচালক ও প্রযোজক হিসেবেও তাঁর খ্যাতি রয়েছে।

বাবু জানান, বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে অভিনয়ের ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন ভারতের দক্ষিণের এই শক্তিমান অভিনেতা। বিদায় নেওয়ার আগে এখানে সবাই মিলে চা খেয়েছেন। লালমনিরহাটের বুড়িমারী স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের পর এমনটাই জানান ফজলুর রহমান বাবু। এই ছবিতে অভিনয় করতে গিয়ে এম নাসেরের সঙ্গে চমৎকার সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। শুটিং শেষে বাবুর বিদায় উপলক্ষে গত রোববার রাতে এম নাসের এক পাটির আয়োজন করেন।

সেখানে সবার জন্য এম নাসের নিজেই কয়েকটি পদ রান্না করেছেন। সবাই মিলে অনেক রাত পর্যন্ত আড্ডা দিয়েছেন। বাবুর অভিনয়ে মুগ্ধ তিনি। মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন রাইমা সেনও। এই ছবির নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছেন রাইমা সেন। ছবিতে বাবু সিতারার স্বামীর চরিত্রে আছেন।

সীমান্তে চোরাচালান দলের সদস্য। একসময় স্ত্রীকে মহাজনের কাছে রেখে চলে যান। ছবিতে এই মহাজনের দ্বারা নানাভাবে নির্যাতিত হয় সিতারা। মূলত গল্পটি সিতারার সংগ্রাম নিয়ে। ছবিতে মহাজনের চরিত্রে অভিনয় করছেন এম নাসের। স্ত্রীর প্রেমিকের চরিত্রে অভিনয় করেছেন জাহিদ হাসান। বাংলাদেশের জনপ্রিয় এই দুই অভিনেতা এবারই প্রথম ভারতের ছবিতে অভিনয় করেছেন।

শিগগিরই আবার দেখা হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তাঁরা।