‘দরিদ্র বলে কেউ আমাদের আর করুনা করতে পারে না’

উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে দেশবাসীর সহযোগীতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, রক্তের বিনিময়ে অর্জিত আমাদের স্বাধীনতা কেউ যেন নস্যাৎ করতে না পারে সেজন্য দেশবাসীকে সজাগ থাকতে হবে।

বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে। দরিদ্র বলে কেউ অবহেলা করতে পারে না। কেউ আমাদের আর করুনা করতে পারে না। বিশ্বের বুকে একটি মর্যাদা পেয়েছি। আমরা চাই মর্যাদাটা ধরে রেখে এগিয়ে যাবো। আজ দুপুরে রাজধানীর ওসমানি স্মৃতি মিলনায়তনে একুশে পদক প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের শিল্প সাহিত্য, ঐহিত্য, সংস্কৃতি ও অনেক গুণি ব্যক্তি রয়েছে, এগুলোকে খুজে বের করে মর্যাদায় দেওয়া দরকার। যেন আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম এগুলো ধরে রাখতে পারে ও জানতে পারে। তিনি বলেন, বাংলাদেশকে আরো উন্নত সমৃদ্ধ করে যেন গড়ে তুলতে পারি সেজন্য দেশবাসীর সহায়তা চাই। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা আমরা গড়ে তুলতে এ জন্য সকলের সহযোগীতা চাই। বাঙালি জাতি রক্ত দিয়ে স্বাধীনতা অর্জন করেছে। সেই জাতি বিশ্বের বুকে মাথা উচু করে দাঁড়াবে। সে লক্ষ্যে নিয়েই আমরা কাজ করছি। ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ আন্দোলনসহ সব আন্দোলনে আমাদের ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে।

একুশে পদকপ্রাপ্তরা হলেন:

অধ্যাপক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম, অভিনেতা হুমায়ূন ফরিদী (মরণোত্তর), ইলিয়াস কাঞ্চন, আ. জা. ম. তকীয়ুল্লাহ (মরণোত্তর), অধ্যাপক মির্জা মাজহারুল ইসলাম, শেখ সাদী খান, সুজেয় শ্যাম, ইন্দ্র মোহন রাজবংশী, মো. খুরশীদ আলম, মতিউল হক খান, বেগম মীনু হক (মীনু বিল্লাহ), হুমায়ুন ফরিদী (হুমায়ুন কামরুল ইসলাম), নিখিল সেন (নিখিল কুমার সেনগুপ্ত), কালিদাস কর্মকার, গোলাম মুস্তাফা।

সাংবাদিকতায় একুশে পদক পেয়েছেন রণেশ মৈত্র। গবেষণায় ভাষা সৈনিক প্রফেসর জুলেখা হক। অর্থনীতিতে ড. মইনুল ইসলাম, সমাজসেবায় ইলিয়াস কাঞ্চন। ভাষা ও সাহিত্যে সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম, সাইফুল ইসলাম খান (কবি হায়াৎ সাইফ), সুব্রত বড়ুয়া, রবিউল হুসাইন ও মরহুম খালেকদাদ চৌধুরী।