সংসদ থেকে সাবেক এমপি মোহাম্মদ ইউসুফের চিরবিদায়

জাতীয় সংসদ থেকে চিরবিদায় নিলেন সাবেক এমপি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ ইউসুফ। চট্টগ্রাম-৭ আসন থেকে ১৯৯১ সালে নির্বাচিত সাবেক এ এমপির জানাজা রোববার সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হয়।

রোববার সকাল ৮ টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন তিনি। তার বয়স হয়েছিল ৬৯ বছর। চিরকুমার এ রাজনীতিবিদের মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণজণিত রোগে আক্রান্ত হয়ে অচেতন অবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে শয্যাশায়ী ছিলেন। ২০০১ সালে রক্তক্ষরণে আক্রান্ত হওয়ার পর প্রায় বিনা চিকিৎসায় রাঙ্গুনিয়ায় ভাইয়ের বাড়িতে শয্যাশায়ী ছিলেন। বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাবেক এ সংসদ সদস্যের যথাযথ চিকিৎসার নির্দেশ দেন।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে প্রথমে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। জানাজায় জাতীয় সংসদের স্পিকারের পক্ষে ডেপুটি সার্জেন্ট এ্যাট আর্মস, ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়া এমপি, চিফ হুইপ এ এস এম ফিরোজ এমপি, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পক্ষে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে দলের নেতৃবৃন্দ, সংসদের বিরোধী দলীয় নেতার পক্ষে বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোহা. মামুনুর রশিদ এবং ঢাকা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মরহুমের মরদেহে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন।

মরহুমের জানাজায় ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়া, চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ, সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, রেলমন্ত্রী মো. মুজিবুল হক, সংসদ সদস্যসহ সর্বস্তরের নাগরিক, রাজনৈতিক সহকর্মী, গুণগ্রাহী, সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তা/কর্মচারীরা ব্যক্তিবর্গ শরিক হন। এ সময় মোহাম্মদ ইউসুফকে রাষ্ট্রীয়ভাবে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। এর আগে মরহুমের কর্মময় জীবনের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোকপাত করেন মরহুমের রাজনৈতিক সহকর্মীরা। পরে মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়।