সাড়ে ছয় হাজার রোহিঙ্গার বিষয়ে সিদ্ধান্ত মঙ্গলবার

দুই দেশের শূন্যরেখায় অবস্থানকারী সাড়ে ছয় হাজার রোহিঙ্গার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমি বলেছি এরা তো আমাদের দেশে প্রবেশ করেনি, তোমাদের দেশেই রয়েছে। তারা স্বীকার করেছেন এবং বলেছেন, তাদের নেয়ার জন্য তারা প্রক্রিয়া শুরু করেছেন। তারা আমাদের একটি মিটিংয়ে বসার অনুরোধ করেছেন। আগামী ২০ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টায় মিটিংটি হবে তাদেরই একটি জেলায়।’

‘এখান থেকে জেলা প্রশাসক ও অন্য যে প্রতিনিধিদের প্রয়োজন তারা গিয়ে এ বিষয়ে আলোচনা করবেন। ছয় হাজারের বেশি এ লোকগুলো কারা, কীভাবে তাদের বাসাবাড়িতে চলে যাবেন…। (মিয়ানমার) আমাদের অনুরোধ করেছেন তাদের (সাড়ে ছয় হাজার রেহিঙ্গা) চলে যাওয়ার জন্য যেন আমরা সহযোগিতা করি। আমরা বলেছি, তোমাদের ওখানে যদি নিরাপদ মনে করে অবশ্যই চলে যাবে। আমাদের যা যা সহযোগিতা লাগবে আমরা তা দেব।’ তিনি বলেন, ‘২০ তারিখে (ফেব্রুয়ারি) সিদ্ধান্ত হবে তারা কবে চলে যাবেন।’

জাতিগত নিপীড়নে পালিয়ে আসা মিয়ানমারের কয়েক লাখ রোহিঙ্গা দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশে বসবাস করছেন। মিয়ানমারের সীমান্তে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর চেকপোস্টে হামলার ঘটনা নিয়ে গত বছরের ২৫ আগস্ট থেকে নতুন করে রাখাইনে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর অভিযান চালায় দেশটির সেনাবাহিনী। তখন থেকে রোহিঙ্গারা জীবন বাঁচাতে বাংলাদেশে পালিয়ে আসছেন।

কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের ১২টি অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে ঠাঁই হয়েছে রোহিঙ্গাদের। তাদের সবাইকে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে নিবন্ধনের আওতায় আনছে বাংলাদেশ সরকার। কক্সবাজারের শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনের রিপোর্ট অনুযায়ী, ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে নিবন্ধিত রোহিঙ্গাদের সংখ্যা মোট ১০ লাখ ৬৮ হাজার ২৩৬।