‘ধৈর্য ধরে সতর্ক অবস্থায় সবকিছু মোকাবিলা করতে হবে’

নেতাকর্মীদের উদ্দেশ করে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ধৈর্য ধরে সতর্ক অবস্থায় সবকিছু মোকাবিলা করতে হবে। কখনও ধৈর্যহারা হবেন না, বিশৃঙ্খল হবেন না।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়া আজকে কারাগারে রয়েছেন। তাকে মুক্ত করার জন্য আমরা শান্তিপূর্ণ আন্দোলন শুরু করেছি, তা যেন কোনভাবে ব্যাঘাতপ্রাপ্ত না হয়। শনিবার বেলা সাড়ে ১১টায় নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচতলায় খালেদা জিয়ার সাজার প্রতিবাদে ও তার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে গণস্বাক্ষর কর্মসূচির উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, আজকে সম্পূর্ণ অনৈতিকভাবে একটি মিথ্যা সাজানো মামলার মধ্য দিয়ে খালেদা জিয়াকে কারাগারে আটক করে রাখা হয়েছে। সেই কারাগার থেকে তাকে মুক্ত করার জন্যে, গণতন্ত্রকে মুক্ত করার জন্যে, মানুষের অধিকার ফিরিয়ে দেয়ার জন্য আমরা শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করছি। খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে গণস্বাক্ষর কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। খালেদা জিয়ার মুক্তি না হওয়া পর্যন্ত এই অভিযান চলতে থাকবে। সরকার সম্পূর্ণ জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে বলেও দাবি করেন ফখরুল।

বিএনপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, এই সরকার ফ্যাসিস্ট পথে জনগণের উপর চড়াও হয়ে অত্যাচার-নির্যাতন করে তারা ক্ষমতায় টিকে থাকতে চাইছে। কিন্তু এই ক্ষমতায় টিকে থাকা তাদের পক্ষে কোনো দিন সম্ভব হবে না। ফখরুল বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে সঙ্কটময় মুহূর্ত আমরা অতিবাহিত করছি। দেশের স্বাধীনতা, স্বার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র ও নিজস্বতা টিকে থাকবে কি না প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

নেতাকর্মীদেরকে উদ্দেশ্যে করে বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন, আর বসে থাকার সময় নেই, সমগ্র চেতনাকে জাগ্রত করুন। এগিয়ে আসুন বেরিয়ে আসুন প্রতিবাদে রাজপথে সোচ্চার হোন। খালেদার মুক্তির দাবিতে বিএনপি যে গণস্বাক্ষর কর্মসূচি শুরু করেছে বিএনপির অফিসিয়াল ওয়েসসাইট থেকেও ওই কর্মসূচিতে নেয়া যাবে বলেও জানান মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বিএনপি নেতা খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মওদুদ আহমদ, মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বরকত উল্লাহ বুলু, ফজলুল হক মিলন, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী, শ্যামা ওবায়েদ, আব্দুস সালাম আজাদ, শহীদুল ইসলাম বাবুল, ইশতিয়াক আজীজ উলফাত, আফরোজা আব্বাস, সুলতানা আহমেদ, বেবী নাজনীন হেলেন জেরিন খান, শাম্মী আক্তার প্রমুখ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।