‘লন্ডনে হাইকমিশনে হামলা ছিল পূর্ব-পরিকল্পিত’

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রায়কে কেন্দ্র করে গত ৮ ফেব্রুয়ারি লন্ডনের বাংলাদেশ হাইকমিশনে জোর করে ঢুকে ভাঙচুর চালায় দলটির যুক্তরাজ্য শাখার নেতাকর্মীরা। এ হামলার জন্য যুক্তরাজ্য বিএনপির দুঃখ প্রকাশ করে দেয়া বিবৃতি প্রত্যাখ্যান করেছে বাংলাদশ হাইকমিশন। বৃহস্পতিবার রাতে পাল্টা এক বিবৃতিতে হাইকমিশন বলেছে, প্রকৃতপক্ষে এটি ছিল স্মারকলিপি প্রদানের অজুহাতে কারো নির্দেশে পূর্ব-পরিকল্পিত একটি হামলা।

হাইকমিশনের বিবৃতিতে বলা হয়, হামলার ঘটনায় প্রতীয়মান হয় যে কারো নির্দেশেই পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। স্মারকলিপি প্রদানের বিষয়টি ছিল একটি অজুহাত মাত্র। এ ঘটনায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি অবমাননা এবং হাইকমিশনের একজন কর্মচারীকে শারীকিভাবে আক্রমণ করা হয়।

লন্ডনে বাংলাদেশ মিশন এ ঘটনার জন্য যুক্তরাজ্য বিএনপি শাখার দুঃখ প্রকাশের দু’দিন পর এই বিবৃতি প্রদান করে। ঢাকায় বিএনপি প্রধান খালেদা জিয়ার একটি দুর্নীতির মামলার রায়ের আগমুহূর্তে এক প্রতিবাদ সমাবেশের প্রেক্ষাপটে এই হামলার ঘটনাটি ঘটে। কিন্তু বিএনপি যুক্তরাজ্য শাখার বিৃবতিতে দাবি করা হয় যে ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনের রূঢ় আচরণের কারণে এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

বিৃবতিতে বিএনপি’র ওই দাবিকে ভিত্তিহীন উল্লেখ করে বলা হয়, স্মারকলিপি গ্রহণ হাইকমিশনের একটি নিয়মিত ও নিয়মতান্ত্রিক বিষয়। ওই দিনেও নির্ধারিত কর্মকর্তার কাছে স্মারকলিপি হস্তান্তরের জন্য কর্তব্যরত পুলিশের মাধ্যমে বিক্ষোভকারীদের অনুরোধ করা হয়। এছাড়া ঘটনার দিন হাইকমিশনের কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী বিক্ষোভকারীদের সাথে কোনো ধরনের অসৌজন্যমূলক আচরণ করে নাই।

বিবৃতিতে বলা হয়, জাতির পিতার ছবি অবমাননা এবং হামলার নির্দেশদাতার বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নিতে যুক্তরাজ্য সরকারের কাছে জোর দাবি জানানো হয়েছে।