‘ক্যাচ’ ধরে ৩০ লাখ টাকা!

মার্টিন গাপটিল ও কলিন মুনরোর ব্যাটে ইডেন পার্কের গ্যালারিতে একের পর এক আঁছড়ে পড়তে থাকলো বল। কোনও কূল কিনারা খুঁজে পাচ্ছিলেন না অস্ট্রেলিয়ান ফিল্ডাররা। শেষ পর্যন্ত দুজনকেই ক্যাচ ধরে ফিরিয়ে উল্লাস করলেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। আর ইনিংসের যখন এক বল বাকি, তখন রস টেলরের ‘ক্যাচ’ ধরে বাধভাঙা উল্লাসে মাতলেন মিচেল গ্রিমস্টোন!

না, গ্রিমস্টোন অস্ট্রেলিয়ার কোনও খেলোয়াড় নয়। তিনি একজন ক্রিকেট ভক্ত। এন্ড্রু টাইয়ের বলটি লেগ সাইডে সপাটে ব্যাট দিয়ে সীমানা ছাড়া করেছিলেন টেলর। সেই ছয় ডিপ স্কয়ার লেগের গ্যালারিতে দাঁড়িয়ে থাকা গ্রিমস্টোনের বাঁ হাতে গেলো আটকে। ২০ বছর বয়সী এই তরুণকে ঘিরে তখন তার সঙ্গে গ্যালারিতে থাকা বন্ধুমহলে চলছে খুশির বন্যা। গ্রিমস্টোনের এই বাধভাঙা খুশি এমনি এমনি নয়। একহাতে এই ক্যাচ ধরে তিনি পেয়েছেন ৫০ হাজার নিউজিল্যান্ড ডলার, বাংলাদেশি টাকায় যা ৩০ লাখেরও বেশি। টুই বিয়ার কোম্পানির প্রচারণার অংশ হিসেবে এই ‘কৃতিত্ব’ গড়ে পুরস্কার পেলেন ওয়েলিংটনের ভিক্টোরিয়া ইউনিভার্সিটিতে পড়ুয়া গ্রিমস্টোন।

নিউজিল্যান্ডের ইনিংস শেষে উচ্ছ্বসিত গ্রিমস্টোন বলেছেন, ‘আমি বাঁহাতি নই। কিন্তু কোনোভাবে আমি সেখানে ছিলাম এবং ক্যাচ ধরে ফেললাম। এরপর সবাই আমার ওপর লাফিয়ে পড়লো। অনুভূতি বলে বোঝাতে পারবো না। এক কথায় চমৎকার।’ পুরস্কার থেকে পাওয়া অর্থ বাজেভাবে খরচ করবেন না এই ক্রিকেট ভক্ত, ‘এটা বিনিয়োগ করবো। ভালো জায়গায় ব্যয় করবো, ফেলে দেবো না। কারণ অনেক ডলার এটা।’

টুইয়ের একহাতে ক্যাচ ধরার প্রচারণায় এই মৌসুমে দ্বিতীয় সফল ব্যক্তি হলেন গ্রিমস্টোন। গত ১৩ জানুয়ারি ডানেডিনে পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডের সময় স্থানীয় বিল্ডার ক্রেইগ ডোফার্টি পেয়েছিলেন ৫০ হাজার ডলার।