অ্যাকর্ডের সঙ্গে ৩৯ কারখানার বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিন্ন

নতুন করে ৩৯ কারখানার সঙ্গে সব ধরনের বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিন্ন করেছে পোশাক খাতের সংস্কারবিষয়ক ক্রেতা জোট ইউরোপের অ্যাকর্ড অন ফায়ার অ্যান্ড বিল্ডিং সেফটি ইন বাংলাদেশ। সংস্থাটির পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

মূলত এ কারখানাগুলো ১০ মালিকের মালিকাধীন। সংস্কার অগ্রগতি সন্তোষজনক না হওয়া, কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা দুর্বলতা ও জোটের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সহযোগিতা না করার অভিযোগে এ ১০ গ্রুপের কারখানাকে বাদ দেওয়া হয়েছে। জোটের এ সংক্রান্ত আলাদা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জোট থেকে বাদ পড়া কারখানা মালিকের অন্যান্য কারখানাও ‘বাদ পড়া’ হিসেবেই বিবেচিত হবে।

সম্প্রতি একই দিনে প্রকাশিত বিবৃতিতে ১০ কারখানাসহ এসব গ্রুপের আওতাধীন অন্য ২৯ কারখানার নামও প্রকাশ করা হয়। এ নিয়ে অ্যাকর্ড থেকে বাদ পড়া মোট কারখানার সংখ্যা দাঁড়াল ১৩৮টি। অন্য ক্রেতা জোট উত্তর আমেরিকার অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি থেকেও একই অভিযোগে ১৫৭ কারখানার সঙ্গে সব ধরনের বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিন্ন করা হয়েছে। এসব কারখানা দুই জোটের কোনো ক্রেতার রফতানি আদেশ পাচ্ছে না। অর্থাৎ কার্যত এসব কারখানা এখন বন্ধ।

জানতে চাইলে বিজিএমইএ সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বলেন, একটি কারখানার দুর্বলতার কারণে একই মালিকের অধীনে ভালোমানের অন্যসব কারখানার সঙ্গে ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড ছিন্ন করা বড় ধরনের অন্যায়। এর আগে এ রকম ঘটনার পর অ্যাকর্ডের সঙ্গে এ বিষয়ে বিজিএমইএ’র কথা হয়েছে। তার প্রতিশ্রুতি ছিল, এ রকম আর হবে না। এখন ফের একই কাণ্ড হলো। এ বিষয়ে ব্র্যান্ডগুলোর সঙ্গে কথা বলবেন তিনি।

অ্যাকর্ড থেকে বাদ পড়া নতুন কারখানাগুলো হচ্ছে- মাহিদ অ্যাপারেলস। এ কারখানা মালিকের মালিকানাধীন আরও ১১ কারখানা রয়েছে। শিকদার অ্যাপারেল হোসিয়ারি এবং একই মালিকানাধীন আরও সাত কারখানা, দোয়াজ ল্যান্ড অ্যাপারেলস এবং তাদের আরও ছয় কারখানা, উলেন অয়্যার এবং তাদের আরও তিন কারখানা, আসিফ অ্যাপারেলস এবং একই মালিকানাধীন আরও দুটি কারখানা, এমএস নিট, আরবিএসআর ফ্যাশনস, নুরুন্নাহার নিটঅয়্যার, সৌরভ হোসিয়ারি ও প্রাউড টেক্সটাইল।