ভবিষ্যত নিয়ে শঙ্কায় পড়েছে শের-ই-বাংলা স্টেডিয়াম

ভাবুন তো বাংলাদেশ ক্রিকেটের প্রাণকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত মিরপুরের শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামকে এক বছরের জন্য নিষিদ্ধ করেছে আইসিসি! বড় এক ধাক্কাই খেতে হবে পুরো দেশকে। কেননা এই স্টেডিয়ামকে ঘিরেই বর্তমানে টাইগারদের বেশিরভাগ পরিকল্পনা হয়ে থাকে।

এমনটি এখনই না হলেও এর ভবিষ্যত নিয়ে শঙ্কায় পড়েছে শের-ই-বাংলা। ইতোমধ্যে এই স্টেডিয়ামকে তিনটি ডিমেরিট পয়েন্ট দিয়েছে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা। আর পাঁচ বছর সময়কালের মধ্য যদি আরও দুটি ডিমেরিট পয়েন্ট যোগ হয় তবে, এক বছরের জন্য নিষিদ্ধ হবে প্রিয় এই স্টেডিয়ামটি!

সদ্য শেষ হওয়া বাংলাদেশ বনাম শ্রীলঙ্কা সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টটি অনুষ্ঠিত হয় মিরপুরের শের-ই-বাংলায়। যেখানে আড়াই দিনের মধ্যেই স্বাগতিকরা ২১৫ রানে হারে। পুরো ম্যাচেই দু’দলের চার ইনিংস মিলিয়ে ৪০ উইকেটের বিপরীতে ওঠে মাত্র ৬৮১ রান। কোনো সেঞ্চুরি না আসা এই ম্যাচে সর্বোচ্চ এক ইনিংসে ৭০ করেন লঙ্কান রোশেন সিলভা।

এই টেস্টে অনিয়ন্ত্রিত বাউন্স ও স্পিন বলে বাজে টার্নের কারণে ব্যাটসম্যানরা কোনো সুযোগই পাননি তাদের স্কিল প্রদর্শন করতে। এমনটি জানিয়ে ম্যাচ রেফারি ডেভিড বুন শের-ই-বাংলার পিচকে ‘বাজে’ হিসেবে আখ্যা দেন। স্টেডিয়ামকে দেওয়া হয় একটি ডিমেরিট পয়েন্ট। এর আগে গত বছর আগস্টে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে মিরপুর টেস্টে বাজে আউটফিল্ডের কারণে শের-ই-বাংলাকে দুটি ডিমেরিট পয়েন্ট দেওয়া হয়েছিল।

এদিকে মিরপুরের আগে চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামকে লঙ্কানদের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট খেলেছিল বাংলাদেশ। সেই ম্যাচের পর চট্টগ্রামকেও একটি ডিমেরিট পয়েন্ট দিয়েছিল আইসিসি। তার ব্যখ্যা ছিল, ম্যাচে প্রচুর রান উঠেছে, ফলে বোলাররা কোনো সুবিধে পায়নি।