কালীমন্দিরে মূর্তি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ

নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলায় একটি কালীমন্দিরে মূর্তি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ উঠেছে। গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাতের কোনো একসময় দুর্বৃত্তরা এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলে মনে করছে পুলিশ। আজ বুধবার সকালে মন্দিরে মূর্তি ভাঙচুর অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের উত্তর মোহাম্মদপুর গ্রামের ওই কালীমন্দিরের পাঁচটি মূর্তি ভেঙে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা।

বাড়ির বাসিন্দা মলয় রঞ্জন বিশ্বাস বলেন, গতকাল দিবাগত রাতে কে বা কারা তাঁদের বাড়ির এক পাশে থাকা শ্রীশ্রী রক্ষা কালীমন্দিরের আধা পাকা ভবনের দরজা খুলে ভেতরে প্রবেশ করে পাঁচটি মূর্তি ভাঙচুর করে এবং ভেতরে থাকা মূর্তির কাঠের বেদিতে অগ্নিসংযোগ করে। তিনি জানান, আজ সকাল ছয়টার দিকে বাড়ির লনি বালা দাস নামের এক নারী প্রতিদিনের মতো আজ মন্দির ঝাড়মোছ ও পূজা দিতে গিয়ে ঘটনাটি দেখে চিৎকার দেন। পরে তাঁরা ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখেন মন্দিরের ভেতরে থাকা পাঁচটি মূর্তির সব কটি ভাঙা এবং মূর্তি রাখার কাঠের বেদি আগুনে পোড়া। তাৎক্ষণিক তাঁরা বিষয়টি থানা-পুলিশকে অবহিত করেন।

খবর পেয়ে জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ কে এম জহিরুল ইসলাম, বেগমগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শাহজাহান শেখ, সেনবাগ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শতরূপা তালুকদার ও থানা-পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রথম আলোকে বলেন, বাড়ির সামনের পুকুরপাড়ে ওই মন্দিরটির অবস্থান। দরজায় কোনো তালা ছিল না। গতকাল দিবাগত রাতে কে বা কারা মন্দিরে ঢুকে মূর্তি ভাঙচুর করে এবং মূর্তি রাখার কাঠের বেদিতে অগ্নিসংযোগ করে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।