মানসিক প্রশান্তি চান, পালুন পোষা প্রাণী

আমাদের সকলেরই কোন না কোন সময় আদরের একটা করে পোষ্য ছিল৷ হয়তো এখনও আছে৷ আর সেই আদুরে পোষ্যগুলিকে আমরা নিজেদের শিশুর মতই ভালোবাসি৷

কিন্তু ছোট্ট ছোট্ট সেই পশু, পাখি আপনার জন্য কতটা উপকারী জানেন? একটি গবেষণা অনুযায়ী, পোষ্য আপনার মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী৷ বিশেষত যেসব ব্যক্তি মানসিক ভারসাম্যহীন তাদের জন্য একটি পোষা কুকুর, বিড়াল, খরগোশ, কাঠবেড়ালি, পাখি প্রভৃতি প্রাণী অবিচ্ছেদ্য সঙ্গী হয়ে উঠে এবং তাদের জীবনে ভারসাম্য আনতে সাহায্য করে৷

সাউথাম্পটন, মানচেস্টার এবং লিভারপুলের বিশ্ববিদ্যালয়গুলির কয়েকজন গবেষকের মতে, যারা মানসিক স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সমস্যায় ভোগেন তাদের জন্য পোষ্যরা অনেক উপকারী৷ পূর্ববর্তী একটি গবেষণাপত্রেও একই কথা বলা হয়েছিল৷

যে সকল ব্যক্তিরা মানসিক বিকারগ্রস্ত তাদেরকে নিঃশর্ত সাহায্য দেয় পোষ্যরা৷ মানসিক স্বাস্থ্য ভালো করার ক্ষেত্রে পোষ্যরা যে চিকিৎসাগত সাহায্য করে তাও ক্রমশ স্বীকৃতি পাচ্ছে৷ কিন্তু পোষ্যদের ভূমিকা নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোন পদ্ধতিগত পর্যালোচনা করা হয়নি৷ পাশাপাশি দীর্ঘসময় ধরে মানসিক স্বাস্থ্য পরিচালনা করার ক্ষেত্রে তাদের অবদান কতটা তাও নিশ্চিত করা হয়নি৷ তবে তাদের যে অবদান রয়েছে তা একবাক্যে স্বীকার করে নিয়েছেন গবেষকরা৷

লিভারপুল ইন্সটিটিউট অফ সাইকোলজি, হেল্থ এবং সোসাইটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ড: হেলেন ব্রুকসের অধীনে এই গবেষণাটি হয়৷ গবেষণার ফলাফল বিএমসি সাইকায়াট্রিতে প্রকাশিত হয়েছে৷ গবেষণাপত্রটিতে মূলত পোষ্যের ইতিবাচক দিকগুলি তুলে ধরা হলেও বাদ দেওয়া হয়নি নেতিবাচক দিকগুলিকেও৷ তার মধ্যে যেমন পশু, পাখি পোষার মানসিক ও ব্যবহারিক চাপের কথা রয়েছে, তেমনি রয়েছে একটি পোষ্যকে হারানোর মানসিক প্রভাব৷