দুদকের শুভেচ্ছাদূত হিসেবে সাকিবের চুক্তি

ব্যাট-বলে ক্রিকেট দুনিয়া মাতানো সাকিব আল হাসান এবার নামছেন দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে। দুর্নীতি নির্মূলে রাষ্ট্রীয় সংস্থা দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) শুভেচ্ছাদূত হলেন বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডার।

রবিবার দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) শুভেচ্ছাদূত হিসেবে চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন বলে জানিয়েছেন দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য।

গত বছরের ১১ সেপ্টেম্বর দুদক কার্যালয়ে আসেন সাকিব আল হাসান। তখনই তাকে শুভেচ্ছাদূত হওয়ার প্রস্তাব দেন দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ। এতে সম্মতি জানান সাকিব।

চুক্তি অনুসারে জণগনকে সচেতন ও ঐক্যবদ্ধ করতে দুদকের বিভিন্ন কার্যক্রমের সাথে সম্পৃক্ত থাকবেন সাকিব। তরুণ সমাজের মধ্যে শুদ্ধাচার চর্চা, দেশপ্রেম, সততা, নিষ্ঠাবোধ, ন্যায়পরায়ণতা ও নৈতিক চরিত্র গঠনে উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা  দেবেন এবং দুর্নীতি প্রতিরোধে জনগণের সম্পৃক্ততাকে উৎসাহিত করবেন।

সততা স্টোর, গণশুনানি, সততা সংঘ, গণস্বাক্ষর সংগ্রহ অভিযান ও মানববন্ধনসহ  দুর্নীতি দমন কমিশনের বিভিন্ন  কার্যক্রমের  সম্প্রসারণ ও গতিশীলতা আনতে প্রচারে সহায়তা করবেন সাকিব। গণমাধ্যম ও  সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও দুদকের দুর্নীতিবিরোধী বার্তা অথবা মতাদর্শ ছড়িয়ে দেবেন তিনি।

ওই সময় সাকিব আল হাসানকে উদ্দেশ্য করে দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেন, আপনি বাংলাদেশকে একটি বিশেষ মাত্রায় নিয়ে গেছেন। বিশ্বে বাংলাদেশকে মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। এজন্য আমরা গর্বিত। আপনি তরুণ, দেশকে কিছু দেওয়ার জন্য এখনই উত্তম সময়। আপনি দেশের কোটি কোটি তরুণ-তরুণীর আইকন। আপনার কারণে যদি দেশের ১০টি তরুণ সৎ জীবনযাপনে উদ্বুদ্ধ হয় সেটাও বিশাল প্রাপ্তি। তাই আপনাকে দুর্নীতি প্রতিরোধে কমিশনের শুভেচ্ছা দূত হিসেবে তরুণদের মাঝে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করছি।

সাকিব আল হাসান দুর্নীতি দমন কমিশনের কার্যক্রমকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, দুর্নীতি দমন কমিশনের যেকোনো কর্মসূচিতে আমি আসব। আমরাও চাই দুর্নীতিমুক্ত দেশ। আমরা যখন কোনো দেশের অভিবাসন দফতরে আমাদের পাসপোর্ট জমা দেব, তখন তারা যেন মনে করে, বাংলাদেশের মানুষ দুর্নীতিমুক্ত এবং বিশ্বের রোল মডেল।