খালেদার বিরুদ্ধে ঝুলছে আরও ৩৫ মামলা

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া তারেক রহমানসহ অন্যদের ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার পুরান ঢাকার বকশীবাজারে স্থাপিত বিশেষ আদালতের বিচারক ড. আখতারুজ্জামান জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় এ রায় দেন।

এছাড়া বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ, হত্যা ও মানহানির অভিযোগে ৩৫টি মামলা রয়েছে। এসব মামলার মধ্যে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি রয়েছে তিনটিতে, একটি মামলার যুক্তি উপস্থাপন, সাক্ষীর জন্য একটি এবং ১৪টির অভিযোগ গঠন শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে। আর বাকি ১৬টি মামলা তদন্তাধীন অবস্থায় রয়েছে।

যে তিন মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা
ভুয়া জন্মদিন পালন করার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ২০১৭ সালের ১৭ নভেম্বর ঢাকা মহানগর হাকিম মাজহারুল ইসলাম তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। অপরদিকে ২০১৬ সালের ২৩ আগস্ট নড়াইলে একটি মানহানির মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। এছাড়া হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দায়ের করা একটি মামলায় ২০১৭ সালের ৯ অক্টোবর বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন কুমিল্লা জেলা ও দায়রা জজ বেগম জেসমিন আরা। মামলায় খালেদা জিয়া ছাড়াও আরও ৪৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।

যুক্তি উপস্থাপনের জন্য এক মামলা
জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে আর্থিক লেনদেনের অভিযোগে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে ২০১১ সালের আট আগস্ট রাজধানীর তেজগাঁও থানায় মামলাটি করে দুদক। এ মামলাটির যুক্তি উপস্থাপনের জন্য ধার্য রয়েছে। আগামী ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি যুক্তি উপস্থাপনের জন্য দিন ধার্য রয়েছে।

সাক্ষীর এক মামলা
৪৫ কোটি টাকা ঋণখেলাপির অভিযোগে সোনালি ব্যাংক একটি মামলা দায়ের করে। ঢাকার অর্থঋণ আদালতে মামলাটি সাক্ষীর পর্যায়ে রয়েছে।

অভিযোগ গঠনের অপেক্ষায় ১৪ মামলা
দারুসসালাম থানার বিশেষ ক্ষমতা আইনে আট মামলা, যাত্রাবাড়ী থানার দুই মামলা, বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি দুর্নীতি, গ্যাটকো, নাইকো দুর্নীতি ও রাষ্ট্রদ্রোহের একটি করে মোট ১৪টি মামলা অভিযোগ গঠনের শুনানির জন্য ধার্য রয়েছে।

তদন্তাধীন ১৬ মামলা
গুলশানে নৌ-পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খানের মিছিলে বোমা হামলার ঘটনায় মামলা এবং বিভিন্ন সময়ে দায়ের করা মানহানি মামলাসহ ১৬টি মামলা তদন্তাধীন অবস্থায় রয়েছে।