সেনাবাহিনীর সঙ্গে আমার পারিবারিক ও আত্মিক সম্পর্কঃ প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার লেবুখালীতে শেখ হাসিনা সেনানিবাস উদ্বোধন করেন। দুপুর পৌনে ১২টার কিছু পরে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী হেলিকপ্টারটি লেবুখালী সেনানিবাস এলাকায় অবতরণ করে।

প্রধানমন্ত্রী পতাকা উত্তোলন ও বেলুন উড়িয়ে সেনাবাহিনীর সপ্তম পদাতিক ডিভিশনের সদর দপ্তরসহ ১১টি ইউনিট নিয়ে সেনানিবাসের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মন্ত্রী আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহম্মেদ, মতিয়া চৌধুরী, ওবায়দুল কাদের এবং তিন বাহিনীর প্রধান, সাবেক সেনাপ্রধানগণ ও সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ভাষণ দেয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘আমাদের সশস্ত্র বাহিনী শুধু দেশ নয়, সারা বিশ্বে এখন প্রশংসিত। জাতিসংঘ শান্তিমিশনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এখন ব্র্যান্ড নেম। দেশের উন্নয়ন, প্রাকৃতিক দুর্যোগে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে যাচ্ছে।

সেনাবাহিনীর সঙ্গে আমার পারিবারিক ও আত্মিক সম্পর্ক রয়েছে। আমার ছোট ভাই ক্যাপ্টেন শেখ জামাল একজন চৌকস সেনা অফিসার ছিলেন। আরেক ভাই শেখ কামালও সেনাবাহিনীর কমিশনে যোগ দিয়েছিলেন।

আমাদের সরকার দেশের সশস্ত্র বাহিনীকে আধুনিক, উন্নত ও যুগোপযোগী করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। এ জন্য আমাদের সরকার আর্মড ফোর্সেস গোল ২০৩০ প্রণয়ন করে প্রতিরক্ষা বাহিনীর উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। দেশের সেনাবাহিনীকে আরও আধুনিক করার অংশ হিসেবে ২০১৬ সালে আমরা পায়রা নদীর পাড়ে এই সেনানিবাস স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। এই এলাকায় সেনানিবাস হওয়ায় এখানকার মানুষের অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে নতুন দিগন্তের উন্মোচন হলো।’

প্রধানমন্ত্রী এত অল্প সময়ের মধ্যে এখানে এই সেনানিবাস উদ্বোধনের উপযোগী করতে পারায় সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানান। এছাড়া সশস্ত্র বাহিনীকে তিনি দেশের গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রস্তুত থাকতেও নির্দেশ দেন।