খালেদার পাঁচ বছরের কারাদণ্ড, প্রতিবাদে যুক্তরাজ্য সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদ

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে রাজনৈতিক বিবেচনায় পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে দাবি করে তাকে কারাবন্দী করার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদ যুক্তরাজ্যের নেতৃবৃন্দ। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদ যুক্তরাজ্যের নেতারা এক যুক্ত বিবৃতি সংবলিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব কথা বলেন। সংগঠনটির নেতারা বেগম খালেদা জিয়ার রায়ের প্রতিবাদে আন্তর্জাতিক ফোরাম ও মানবাধিকার সংস্থাগুলোকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান। তারা অবিলম্বে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবি করেন।

নেতারা বলেন, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের অর্থ লেনদেনে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া ও সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কোনো ধরণের সম্পৃক্ততা দেখাতে পারেনি আদালত। কিন্তু বেগম খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের ও তারেক রহমানকে দশ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হলো। এ ঘটনার মাধ্যমে আইনের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থার জায়গাটি ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে বলে পেশাজীবীরা মনে করেন। তাদের মতে, আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে সরকারি দল আওয়ামী লীগের এজেন্ডা অনুযায়ী বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বেগম জিয়ার এই কারাবন্দীত্ব বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে নতুনভাবে সংকটে ফেলেছে।

বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদ যুক্তরাজ্যের আহ্বায়ক ড. কেএমএ মালিক, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নসরুল্লাহ খান জুনায়েদ ও সদস্য সচিব ব্যারিস্টার তারিক বিন আজিজসহ শতাধিক নেতার যুক্ত বিবৃতিতে আরো বলা হয়, কেউ বাংলাদেশে চলমান গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনের পক্ষে কথা বললেই তাকে গ্রেফতার করে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে দেয়ার এক স্বৈররীতি চালু করেছে বর্তমান শাসক গোষ্ঠী। হামলা-মামলা এবং কারান্তরীণ করে গণতন্ত্র মুক্তির আন্দোলনকে ব্যাহত করা যাবে না বলে তারা হুশিয়ারি দেন। বেগম খালেদা জিয়াকে যে কথিত দুর্নীতি মামলায় জেল দেয়া হয়েছে তাতে প্রকৃতপক্ষেই কোনো অর্থ তছরূপের প্রমাণ মেলেনি বলে দাবি করেন পেশাজীবী নেতারা।

তারা বলেন, ব্যাংকের টাকা ব্যাংকেই আছে। শুধু একটি অ্যাকাউন্ট থেকে অন্য অ্যাকাউন্টে গেছে। এসব অ্যাকাউন্টের সাথে বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের কোনো সম্পর্ক নেই। প্রধানমন্ত্রী অফিসের নামেও কোনো তহবিল সংগ্রহ করা হয়নি। এটা ছিল পুরোপুরি ট্রাস্ট কেন্দ্রিক।