খালেদার খাবারের মেনুতে সকালে ভাত নেই, আছে রুটি

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার রায় ঘোষণায় ৫ বছরের কারাদণ্ড দণ্ডিত হলেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। মামলায় জড়িত তারেক জিয়া সহ দলের অন্ন সদ্যসদ্যের ১০ বছরের সাজা ঘোষণা করেছেন আদালত। রায়ের পর খালেদা জিয়াকে নাজিমউদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখানকার একটি ভবনের দ্বিতীয়তলার ডে-কেয়ার সেন্টারে রাখা হয়েছে খালেদা জিয়াকে।

সেখানে একজন ডিভিশনপ্রাপ্ত বন্দি হিসেবে খালেদা জিয়ার খাবারের মেনুতে সকালে ভাত থাকছে না। সকালে ৮৭ গ্রাম আটার রুটি ও ৮৭ গ্রাম ডাল-সবজি পান। দুপুর ও রাতে ৪৯৫ গ্রাম সরু চালের ভাত, ২১৮ গ্রাম মাছ-মাংস এবং সারা দিনে প্রায় ১৪৫ গ্রাম ডাল পান।

এছাড়া তেল, লবণ, মরিচসহ সব মিলিয়ে তিন বেলা খাবার বাবদ একজন ডিভিশনপ্রাপ্ত বন্দির জন্য সরকারিভাবে বরাদ্দ হয় ১১৫ টাকা। কারাগারে ভিআইপি এই বন্দিদের সরকার বরাদ্দ খাবারে প্রয়োজন মেটে না। এর বাইরে ভিআইপি বন্দিরা কারা ক্যান্টিন থেকে বাড়তি খাবার সংগ্রহ করে থাকেন। এছাড়া বন্দিদের স্বজনরা সাক্ষাতের সময় শুকনো খাবার ও ফলমূল দিয়ে যান। এসব দিয়েই খাবারের প্রয়োজন মেটাতে হয় তাদের।

তবে প্রিজন ক্যান্টিনের (পিসির) মাধ্যমে কারাগারে বন্দির নামে টাকা পাঠানোর রীতি চালু রয়েছে। পিসিতে বন্দির স্বজনরা টাকা পাঠান। সেই টাকায় তারা বাড়তি খাবার খেতে পারেন। তবে বন্দিদের খাবার সরবরাহে কোনো ধরনের সমস্যা হচ্ছে না বলে জানান কারা কর্মকর্তারা।

বৃহস্পতিবার বেলা ২টা ২০ মিনিটে পুরান ঢাকার বকশীবাজারে আলিয়া মাদ্রাসার মাঠে স্থাপিত ঢাকার পাঁচ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক ড. আখতারুজ্জামান জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন।