এবছর যারা ‘একুশে পদক’ পাচ্ছেন

আজ বৃহস্পতিবার সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে রাষ্ট্রীয় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পদক ‘একুশে পদক’ প্রাপ্তদের তালিকা প্রকাশ করেছে। আগামী ২০ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘একুশে পদক’ প্রাপ্ত বিশিষ্ট ব্যক্তিদের ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আনুষ্ঠানিক ভাবে এ পদক তুলে দেবেন।

ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে চালু করা একুশে পদক সরকার প্রতি বছর বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে দিয়ে থাকে। বাংলাদেশের সাহিত্যিক, শিল্পী, শিক্ষাবিদ, ভাষা সৈনিক, ভাষাবিদ, গবেষক, সাংবাদিক, অর্থনীতিবিদ, দারিদ্র বিমোচনে অবদানকারী, সামাজিক ব্যক্তিত্ব ও প্রতিষ্ঠানকে জাতীয় পর্যায়ে অনন্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ১৯৭৬ সাল থেকে একুশে পদক দেয়া হচ্ছে।

এবছর ভাষা আন্দোলনে একুশে পদক পেয়েছেন মরহুম আ জা ম তকীয়ুল্লাহ ও অধ্যাপক মির্জা মাজহারুল ইসলাম। সংগীতে শেখ সাদী খান, সুজেয় শ্যাম, ইন্দ্র মোহন রাজবংশী, খুরশীদ আলম ও মতিউল হক খান একুশে পদক জিতেছেন। নৃত্যে মীনু হক (মীনু বিল্লাহ) একুশে পদক পেয়েছেন। মরহুম অভিনেতা হুমায়ুন ফরীদি (হুমাযুন কামরুল ইসলাম) অভিনয় ক্যাটাগরিতে একুশে পদকের জন্য মনোনীত হয়েছেন। নাটকে একুশে পদক পাচ্ছেন নিখিল সেন (নিখিল কুমার সেনগুপ্ত)।

এছাড়া চারুকলায় একুশে পদক জিতেছেন কালিদাস কর্মকার। গোলাম মুস্তাফা পাচ্ছেন আলোকচিত্রে। সাংবাদিকতায় এবার একুশে পদক পাচ্ছেন রণেশ মৈত্র। মরহুমা ভাষা সৈনিক প্রফেসর জুলেখা হক গবেষণায় একুশে পদকের জন্য মনোনীত হয়েছেন। অর্থনীতিতে পদক জিতেছেন ড. মইনুল ইসলাম।

নিরাপদ সড়ক নিয়ে আন্দোলন করা অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চন এবার সমাজসেবায় একুশে পদক পাচ্ছেন। ভাষা ও সাহিত্যে একুশে পদক পাচ্ছেন সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম, সাইফুল ইসলাম খান (কবি হায়াৎ সাইফ), সুব্রত বড়ুয়া, রবিউল হুসাইন এবং মরহুম খালেকদাদ চৌধুরী।

নীতিমালা অনুযায়ী, নির্বাচিত প্রত্যেককে এককালীন নগদ দুই লাখ টাকাসহ ৩৫ গ্রাম ওজনের একটি স্বর্ণপদক, রেপ্লিকা ও একটি সম্মাননাপত্র দেয়া হয়।