গ্রেফতার আতঙ্কে বিএনপি-জামায়াত এলাকা ছাড়া

আগামীকাল বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায় এবং একইদিনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বরিশাল সফর উপলক্ষে গৌরনদী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের বাড়িতে অভিযান অব্যাহত রেখেছে পুলিশ। গত ৩ দিনে বিএনপি ও জামায়াতের ৪ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

গ্রেফতার আতঙ্কে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপন করেছেন। গত ৩ দিনে বিএনপি ও জামায়াতের ৪ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গৌরনদী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবুল হোসেন মিয়া জানান, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায় নিয়ে গৌরনদীতে বিএনপির নেতাকর্মীদের ধরপাকড় শুরু করেছে পুলিশ।

এতে বিএনপি নেতাকর্মীদের মাঝে গ্রেফতার আতঙ্ক বিরাজ করছে। গত তিনদিনে রাতে উপজেলার শরিকল ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর মৃধা, বার্থী ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি আমিনুল ইসলাম শাহীন, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক সরদার গফুর, সরদার মাসুদ, পৌর যুবদলের সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক ফরিদ মিয়া, সরকারি গৌরনদী কলেজের ছাত্র সংসদের সাবেক ভিপি জাকির হোসেন রাজা, সাবেক জিএস ফুহাদ হোসেন এ্যানিসহ বিভিন্ন নেতাকর্মীদের বাড়িতে তল্লাশি চালায় পুলিশ।

ইতোমধ্যে উপজেলার খাঞ্জাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বারেক সরদার (৩৮), উপজেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মনির হাওলাদার (৪২), উপজেলা জামায়াতের সদস্য মোস্তফা আনোয়ারুল ইসলাম (৬২), পৌর জামায়াতের সদস্য জাহাঙ্গীর হোসেন মোল্লাকে (৫২) গ্রেফতার করা হয়েছে।

গৌরনদী মডেল থানা পুলিশের ওসি মো. আফজাল হোসেন বিএনপির নেতাকর্মীদের বাড়িতে তল্লাশির অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, গ্রেফতারি পরোয়ানা থাকা ব্যক্তিদের ধরতে অভিযান চলছে।