‘স্কুলছাত্রের চিঠির জবাব দিয়ে ফের মানবতার পরিচয় দিলেন প্রধানমন্ত্রী’

জননেত্রী শেখ হাসিনার হাত থেকে পুরস্কার নিতে গিয়ে জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হওয়া স্কুল ভবন নির্মাণের দাবি নিয়ে আবেদন দেন উপকূলীয় জেলা বরগুনার এক স্কুলছাত্র ‘মাইনুল’। আর তার আবেদনে সাড়া দিয়ে তড়িৎ গতিতে দ্বিতল স্কুলভবন নির্মাণের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রীকে দেওয়া চিঠিতে মাইনুল উল্লেখ করেন, আমার বিদ্যালয়টি বেড়িবাঁধের বাইরে ব্যারের ডোন নদীর তীরে অবস্থিত হওয়ায় প্রতি জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়। যার ফলে আমাদের দৈনন্দিন লেখাপড়া ও খেলাধুলা করতে কষ্ট হয়। আপনার কাছে আমার বিনীত প্রার্থনা, যাতে আমরা অতিদ্রুত একটি দ্বিতল ভবন কাম সাইক্লোন সেন্টার পেয়ে উন্নত পরিবেশে লেখাপড়া করতে পারি তার একটি উপায় করার মর্জি হন।

প্রধানমন্ত্রী এই স্কুলছাত্রের আবদার মিটাতে পেরে অনেক খুশি হয়েছেন । তিনি নিজ হাতে ছেলেটিকে অনেক আদর এবং দোয়া করেছেন । এসময় প্রধানমন্ত্রীর পাশে ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী । আবদার রাখায় প্রধানমন্ত্রীকে অনেক ধন্যবাদ জানায় ছেলেটির এলাকার সকল জনগণ । নিজ হাতে লেখা এই চিঠিটি ছেলেটি অনেকদিন আগে থেকেই যত্ন করে রেখেছিলো ।

রাজনৈতিক সৃজনশীলতা অমিয় সাহসিকতা ও কঠিনতম সময়ে আত্মপ্রত্যয়ী হয়ে ত্বরিত সিদ্ধান্তে চারপাশে সংকটপূর্ণ সমস্যার উত্তরণে শেখ হাসিনার দূঢ়তা আজ সর্বময় প্রশংসিত। একজন সঠিক নেতার সততার বোধ, অহিংসাবোধ, স্থান-কাল-পাত্রে সম্প্রাসারিত করে জনগণের কাছে ছড়িয়ে পড়ে। এভাবেই সত্যিকারের মানুষ হয়ে উঠা একজন মানুষ; এভাবেই হাসু আপা থেকে হয়ে উঠেন একজন জনপ্রিয় প্রধানমন্ত্রী । শৈশব থেকে অজানাকে জানার মধ্যদিয়ে বঙ্গবন্ধুর জ্যেষ্ঠ কন্যা শেখ হাসিনা, মানুষের দুঃখ ও দারিদ্র্যের সঙ্গে সর্বোপরি মানুষের আকাঙ্ক্ষাকে স্পর্শ করতে দীক্ষা পেয়েছেন ।

‘মানবতা’ শব্দটি সারা বিশ্বে যখন কেবল একটি চার অক্ষরের শব্দে বন্দী, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু-কন্যা শেখ হাসিনা তখন মানবতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত রেখে চলেছেন একের পর এক। মানবতাকে অনেকে জয় করতে চান আজকাল কেবল লোক দেখিয়ে নিজেকে জাহির করার নিমিত্তে। কিন্তু, শেখ হাসিনা কেবল তার দায়িত্ববোধ, কোমল মানসিকতা ও মায়ার্দ্র হৃদয় দিয়েই জয় করে চলেছেন। সংকটে, সংগ্রামে, দুঃসময়ে জননেত্রী শেখ হাসিনা ছিলেন, আছেন, থাকবেন ।