‘অন্য পুরুষের সঙ্গে সম্পর্ক বা বন্ধুত্ব মেনে নিতে পারছিলাম না’

এক সময়ের বলিউড কাঁপানো অভিনেত্রী ৬৬ বছর বয়সী জিনাত আমান পূর্বপরিচিত এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ করেছিলেন। জিনাতের অভিযোগের ভিত্তিতে ভারতের পেনাল কোডে ধারা ৩০৪ ডি (হুমকি-ধামকি) এবং ৫০৯ (নারীকে অশালীনভাবে অপমান করা) এর অধীনে ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মামলা হয়। অবশেষে গ্রেপ্তার করা হয়েছে সেই ব্যবসায়ীকে।

অভিযোগে জিনাত জানিয়েছিলেন, বেশ কিছুদিন ধরেই নাকি তাকে অনুসরণ করছিলেন মোহাম্মেদ সরফরাজ নামের ওই ব্যবসায়ী। শুধু তাই নয়, মোবাইলে বার বার মেসেজ, এমনকি নানা ধরনের ভিডিও ক্লিপও আসছিল! শেষ পর্যন্ত পুলিশের কাছে যেতে বাধ্য হন জিনাত। শ্লীলতাহানিও করেছেন বলে অভিযোগ করেন অভিনেত্রী।

পুলিশ জানায়, আগে থেকেই দুজন দুজনের পরিচিত। কিন্তু সময়ের সঙ্গে তিক্ততা আসে সেই সম্পর্কে। এক সময় সেই সম্পর্কে ভেঙে যায়। ৩৮ বছর বয়সী মোহাম্মেদের সঙ্গে এক পর্যায়ে কথা বলা বন্ধ করে দেন আমান। কিন্তু মোহাম্মেদ তাকে বিরক্ত করেই যাচ্ছিলেন বিভিন্নভাবে।

মোহাম্মেদকে বোঝাতেও পারছিলেন না জিনাত। বাধ্য হয়ে জুহু পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন। জিনাতের বক্তব্যে বোঝা যায় তাদের মধ্যে অর্থের লেনদেন সংক্রান্ত বিষয় আছে। সম্পর্ক নষ্টের পর জিনাত অর্থ ফেরতে অস্বীকৃতি জানান। অভিযুক্ত জানান, আমি তার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে। কিন্তু জিনাত এ বিষয়ে সিরিয়াস নয়। আমি তার অন্য পুরুষের সঙ্গে সম্পর্ক বা বন্ধুত্ব মেনে নিতে পারছিলাম না। কিন্তু সে কিছুতেই আমার কথা শুনছিল না।