নিরাপদ-মর্যাদাপূর্ণ কাজের সংস্কৃতি গড়তে শ্রমিক নিরাপত্তা ফোরামের সম্মেলন অনুষ্ঠিত

‘সবার জন্য নিরাপদ, শোভন ও মর্যাদাপূর্ণ কাজের সংস্কৃতি গড়ে তোলার লক্ষ্যে মানবাধিকার ও শ্রমিক আন্দোলনের সম্মিলিত প্রয়াস’ এই শ্লোগানকে সামনে রেখে শ্রমিক নিরাপত্তা ফোরামের গঠনতন্ত্র, পরিচালনা পদ্ধতি, সার্বিক কার্যক্রম ও কাঠামো পর্যালোচনা, কমিটি গঠন ও ভবিষ্যৎ রূপরেখা বিষয়ে চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে শ্রমিক নিরাপত্তা ফোরামের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স হলে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

আইনি সুরক্ষা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে প্রাতিষ্ঠানিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক নির্বিশেষে সকল শ্রমিককে বাংলাদেশ শ্রম আইন-২০০৬ এ সংশোধনীর মাধ্যমে ‘শ্রমিক’ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে শ্রমিকের জন্য কর্মক্ষেত্র, যথাযথ ক্ষতিপূরণ, ন্যায্য মজুরি, শোভন কর্মপরিবেশ, বিশ্রাম, আট কর্মঘণ্টা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণসহ অন্যান্য বিষয়ে সম্মেলনের ঘোষণাপত্রে উল্লেখ করা হয়।

এছাড়া দেশের সমস্ত প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার কর্তৃপক্ষ, সম্পাদক, অনুষ্ঠান নির্মাতা, সাংবাদিক-প্রতিবেদকদের শ্রমবিষয়ক সংবাদ, কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনা ও শ্রমিক হত্যা ও নির্যাতনের ওপর অনুসন্ধানী প্রতিবেদনসহ ফলোআপ প্রতিবেদন প্রচার ও প্রকাশ করে সমাজের সকল ক্ষেত্রে অবহেলিত ও বঞ্চিত শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় আরও অগ্রসর ভূমিকা পালনের জন্য আহ্বান জানানো হয়।

শ্রমিক নিরাপত্তা ফোরামের আহ্বায়ক ড. হামিদা হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেলনের উদ্বোধন করেন মানবাধিকার সংস্কৃতিক ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল এবং শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদ যুগ্ম সমন্বয়কারী ডা. ওয়াজেদুল ইসলাম খান।

সম্মেলনে কর্ম অধিবশেন সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেন নিজেরা করি’র সমন্বয়কারী খুশী কবির। কার্যক্রম প্রতিবেদন ও ফোরামের পরিচালনা কাঠামো উপস্থাপন করেন শ্রমিক নিরাপত্তা ফোরামের সদস্য সচিব ও বিল্স নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহম্মদ।